সংবাদ শিরোনাম

আরও সংবাদ

3 Comments

  1. 1

    The Patriot

    এস আই আকবর, জানোয়ারের পুরা পরিবারকে এনে থানার বাইরে বেঁধে রেখে ২৪ ঘন্টার আলটিমেটাম দিলে শুওরের বাচ্চা হয়তো আসবে – আর যদি না আসে তাহলে তার পুরা পরিবারকে জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে মারা হোক! হিংশ্র জানোয়ারের সাথে কোনো করুণা প্রদর্শন নয়! সমস্ত দেশটাকে এরা জাহান্নাম বানিয়ে ফেলেছে! এদের অবৈধ ইনকাম ভোগ করছে পরিবারের যে সদস্যরা তারা আরো বড় দোষী!! Burn down the full family and set an example for other bastards to think twice before committing a similar crime again.

    Reply
  2. 2

    Dima

    আওয়ামী লীগ হচ্ছে একটা ছোট লোকের দল.
    ট্রাক ড্রাইভারদের চরিত্র নেতাদের

    Reply
  3. 3

    সত্য ভাষণ

    ৭২ থেকে ১৪ই আগস্ট /৭৫ সাল পর্যন্ত নমশুভ্র রক্ষী বাহিনী(ছাত্রলীগ ক্যাডার),আঃলীগ ও ছাত্রলীগ (আরও অনেক লীগ )সদ্য স্বাধীন দেশে এক ভয়ানক নৈরাজ্যের সৃষ্টি করে। ৭১ এ বর্বর পাক বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ, বাড়িঘর ও সব ধরণের যোগাযোগ,অর্থনীতি ,শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের পর দেশে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতি বিরাজমান ,এই পরিস্থিতিতেও আঃলীগ রক্ষী বাহিনীর মাধ্যমে বিরোধী মতের মানুষ হত্যা,আঃলীগ /ছাত্রলীগ কর্তৃক ব্যাঙ্ক লুট ,ধর্ষণ ,চোরাচালানি ,পাটের গুদামে অগ্নিসংযোগ ,বিদেশ থেকে আমদানি করা খাদ্য, সার ও অন্যান্য সামগ্রী ভর্তি জাহাজ আওয়ামী ব্যবসীয়রা সাগরে ডুবিয়ে দিত নিজেদের স্বার্থে। সমগ্র দেশে খ্যাদ্যভাব প্রকট, বিদেশ থেকে প্রেরিত রিলিফের মাল আঃলীগ/ছাত্র লীগ নির্বিচারে চোরা চালান করত। এই গণধিকৃত দলটির নেতারা/ ছাত্র লীগ /মুজিব বাহিনী রেশন কার্ডের ব্যবসা শুরু করে। ভুয়া নাম ব্যবহার করে একেকজন ৫০ থেকে ১০০পর্যন্ত ভ রেশনকার্ড রেখে চাল ,চিনি,তেল উঠিয়ে অবৈধভাবে কালোবাজারে বিক্রি, ন্যায্য মুলা দোকানে করে তারা অঢেল টাকা উপার্জন করত, কেউ প্রতিবাদ করলে রাতে রক্ষী বাহিনীর খরচার খাতায় যেত ( রক্ষী বাহিনীর সব ছিল ছাত্র লীগ, মুজিব বাহিনী, ভারতীয় ও নমঃশুদ্র ) । ৭৪ এর দুর্ভিক্ষের সময় মৃত মানুষের লাশ যত্রতত্র পড়ে থাকত ,কলার পাতায় দাফন করা হত ,ঢাকায় আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম লাশ দাফন করত। উত্তর বঙ্গের রংপুরে অগণিত দরিদ্র মানুষ দুর্ভিক্ষে মারা গেছে, সেই সময় রেড ক্রসের চেয়ারম্যান লীগের গাজী গোলাম মোস্তফা ছিল সব চেয়ে বড় চোর, পরে আজমীর যাবার পথে এই দুর্বৃত্ত সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। বেলী ফুলের মালা দিয়ে দেশের ছেলে মেয়েদের বিয়ে করার নসিহত করে আঃলীগ দলীয় প্রধান।নিজ ছেলের বিয়েতে ছেলের বৌকে হীরের মালা উপহার দিয়েছেন,এখনকার উদাসীন ছেলেমেয়েরা সন্ত্রাসীদের এইসব কেলেঙ্কারি সম্পর্কে অবহিত নয়। কলেজ ,বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী সাধারণ যুবতী মেয়েরা আওয়ামী হায়েনা কর্তৃক ধর্ষণের হাত থেকে থেকে রক্ষা পায় নাই। মেয়েরা রিক্সার সম্মুখ দিক কাপড় দিয়ে চলাচল করত হায়েনাদের হাত থেকে রক্ষার জন্য। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিহারি মেয়েদের নির্বিচারে ধর্ষণ করেছে। দেশে বর্তমানের অসহনীয় পরিস্থিতি ১০০ গুন গতি পেয়েছে সেই পুরাতন চরিত্রের।তখনও লোভী ,অসৎ,বাম,পরজীবী,বুদ্ধিজীবী পরগাছার অভাব ছিলোনা। মোটকথা দেশের এই নিকৃষ্ট দলটির রক্তে মিশে আছে দুর্নীতি, ধর্ষণ,গুম,খুন,রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট ও পাচার সেই ৪৮ বছর পূর্ব থেকে।কোন সৎ ,দেশপ্রেমিক ,বিবেকবান,নৈতিক গুণসম্পন্ন ,সুশিক্ষিত মানুষ আওয়ামী লীগ /ছাত্রলীগকে সমর্থন করতে পারেনা। আওয়ামী লীগের কোন নেতা ,কর্মী, সমর্থক ৪৮ বছরে দেশে ভাল কাজ করেছে এরকম কোন নজির নাই হউক না সে ১জন সাধারণ মানুষ, নেতা ,কর্মী অথবা পিএইচডি ডিগ্রিধারী,সব শিয়ালের একই ডাক।

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

© স্বত্ব আমার দেশ ২০০৮ – ২০২০