আরও সংবাদ

5 Comments

  1. 1

    Ahmed

    ভাই ঐটা কোন দেশ?
    যে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা চোর ছাত্র-ছাত্রী চোর, নেতা-মন্ত্রী ,চোর প্রধানমন্ত্রী অবৈধ, এমপি অবৈধ, এমপি র ছেলে চোর,

    Reply
  2. 2

    Ahmed

    নামের আগে লিখে হাজী , কিন্তু বাড়িতে রাখে মদ, অবৈধ অস্ত্র ,মৃত মানুষের কঙ্কাল ,অবৈধ walkie-talkie ,হ্যান্ডকাপ ।
    যে বাড়িতে থাকে সেটা আরেকজনের জবরদখলকৃত জায়গা । বাড়ির প্রত্যেকটা ইট ধূলিকণা অবৈধ
    এক আজব দেশ। কিন্তু তাদের চোর বলা যাবেনা বলতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যদি এই হয় তাহলে বুঝুন কি হবে।

    Reply
  3. 3

    Anis Chowdhury

    I don’t know why they do plagiarism in Bangladesh. Every institutions of the nation are the breeding place of corruption and the research topics over there are unlimited. Samia can make at least 100 research papers if she focus on the corruption of Sheik Hyena.

    Reply
  4. 4

    ওমর আব্দুল্লাহ

    মাছের পচন ধরে মাথা থেকে।1996 এ প্রথম বার ক্ষমতা পাবার স্বল্প সময়ের মাঝে হাসিনা ওয়াজেদ ডক্টরেট পাওয়া শুরু করে এবং পাঁচ বছর খেমতার শেষে তার ভাগানো ডক্টরেটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল প্রায় ডজন খানেক। এরপর থেকে হাসিনার চেলা চামুন্ডা ষণ্ডা পান্ডা গুন্ডারা সমানে নামের সাথেই ডক্টরেট লেখা প্রতিযোগিতায় নেমে পরে। এখন কসাই কোট(ওরা বলে মুজিব কোট) পড়া ওদের প্রায় জনের নামের সাথেই দেখা যায় ডক্টরেট লাগানো। শুনা যায় এটা নাকি ওদের নেত্রীর নির্দেশ এবং এতে নাকি জানগনের কাছে গ্রহণ যোগ্যতা বাড়ে। তাই দেখা যায় ওদের অকথা কুকথা বলা তত্থমন্ত্রী যার দিন শুরু হয় অজস্র মিথ্যা গালাগালি দিয়ে তার নামের সাথেও ডক্টরেট। হাসিনার আরেকজন চাপরাশি সোবাহান গোলাপ আমেরিকাতে ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি করে হাসিনার আঙিনায়। যে মাস্টার্স করতে পেরেছে কিনা সন্দেহ আছে। এখন দেখা যায় তার নামের সাথে ও ডক্টরেট আর এই সস্তা ডক্টরেট গুলো দীর্ঘদিন ধরে তৈরী হচ্ছে বাংলাদেশেই এক জালিয়াতির আখড়া নীলক্ষেত মার্কেটে। কম্পিউটরের কারসাজিতে এখানে এহেন কোনো অপকর্ম নাই যা এখানে না হয়। প্রজেক্ট থেকেঃ শুরু করে যত রকম জালিয়াতির কাগজপত্র এমন কি থিসিস প্রজন্ত এখানে বানিয়ে দিয়ে থাকে আর ষণ্ডা পান্ডরা কাচাপয়সার জোরে এগুলো ব্যবহার করে আসছে। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য গ্রামীণ ব্যাংকের ইউনুস সাহেব নোবেল পরুস্কার পাওয়ার পড়ে আওয়ামীলীগ মহলের কি হিংসা এটা কেমন করে হল? নোবেলত পাবে হাসিনা কারণ তার ডজন খানেক ডক্টরেট ডিগ্রি অথস ডক্টরেট দিলো কোথাকার কোন ইউনুসকে! হাসিনার দলীয় প্রয়াত আশরাফুল ইসলামতো বলে বসলেন পশ্চিমা সাদা পানি আর সানডিউস খাইলে নোবেল পরুস্কার পাওয়াটা কোনো বেপার না। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার নেত্রীকে নোবেল পুরস্কারের ব্যবস্থা করে যেতে পারেন নি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে গবেষণা জালিয়াতি আওয়ামীলীগ জামানায় যে ভাবে উৎসাহিত তাতে বাংলাদেশের লেখাপড়ার মানমর্যাদা রক্ষা করা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। কবে এসব জালিয়াতির বিচার যেহবে আল্লাহ ভালো janen।

    Reply
  5. 5

    Omar Farouque

    I hate those theifs .

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

© স্বত্ব আমার দেশ ২০০৮ – ২০২০