সংবাদ শিরোনামগুলো
>>ডাকাত বা লুটেরারা বদমাইশ কিন্তু তাদের সর্দারনী নিষ্পাপ!>>শেখ হাসিনাও সৌজন্য শেখাচ্ছেন!>>শেখ হাসিনাকে ক্ষমা চাইতে বললেন মির্জা ফখরুল>>৪ মানবাধিকার সংগঠনের যৌথ বিবৃতি: গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিন>>বিতর্কিত গণকমিশন ও ঘাদানিকের সাথে জড়িতদের আয়ের উৎস খুঁজতে দুদকে স্মারকলিপি>>লুটেরাদের ডলার লুটে টাকার মান কমল আরেক দফা>>আলেমদের বিরুদ্ধে তথাকথিত কমিশনের শ্বেতপত্র রাষ্ট্রদ্রোহিতা- সর্বদলীয় ওলামা ইউকে>>আওয়ামী লুটেরাদের ডলার লুট>>শেখ হাসিনার অধিনে কেউ ভোটে যাওয়ার চিন্তা করলে ভুল করবে-শামসুজ্জামান দুদু>>অবশেষে গডফাদার খ্যাত হাজী সেলিম কারাগারে: কতটা দ্রুততায় জামিন মঞ্জুর হয় সেটাই দেখার বিষয়

ইমরান খানের আগাম ‘ডিক্লারেশন’ এবং পাকিস্তান পরস্থিতি

, ,

ইবনে রশীদ

কাল ন্যাশনাল এসেম্বলি ভেংগে দিয়ে আগাম ইলেকশন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মূলত তিনটি কারণে-

এক, যদিও সংসদে ইমরান খানের দল মাইনোরিটি, কিন্ত সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে তার তাহরিক ই ইনসাফ দল খুব ভাল করেছে এবং জনমত জরীপে ইমরান ও তার দলের জনপ্রিয়তা আগের যে কোন সময়ের চেয়ে ভাল।

দুই, পাকিস্তানের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ইকোনমি। আগের সরকারগুলোর ব্যাপক লুটপাটের কারণে দেশটি এখন দেউলিয়া হওয়ার পথে। আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক এর লোনের কিস্তি শোধ করতেই এখন হিমশিম খাচ্ছে পাকিস্তান। এ কারনে পিপিপি এবং মুসলিম লীগ-কোন দলের উপরই সাধারন জনগনের খুব বেশি আস্থা নেই।

তার উপরে, বিদেশী মদদে ক্ষমতায় যাওয়ার আশায় দুই শত্রুদলের একজোট হওয়া নিয়ে খোদ দু-দলের নেতা-কর্মীদের মাঝেই ক্ষোভের সৃস্টি হয়েছে। এটা ইমরান খান ও তার দল ভাল করেই জানে।

তিন, ব্যক্তিগতভাবে ইমরান খানের সততা এবং দেশপ্রেম নিয়ে জনগনের মাঝে কোন সন্দেহ নেই।

রাজনীতিতে অপেক্ষাকৃত নবীন হলেও যে সাহস এবং দৃঢ়তা ইমরান দেখিয়েছেন, তাতে শুধু পাকিস্তান নয়, বরং সারা বিশ্বকে তিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পশ্চিমা শক্তিকে প্রকাশ্যে সাপোর্ট না দেয়ায় ইমরানের মাইনোরিটি সরকার বেশ নাজুক অবস্থায় ছিল।

তবে কাল দেশের সেনাপ্রধানের ভিন্ন অবস্থান নিয়ে দেয়া স্টেটমেন্ট, যেখানে রশিয়ার সমালোচনা করা হয়েছে- সেটা কি ব্যালান্স এক্ট না অন্য কিছু সেটা খুব দ্রুত বেরিয়ে আসবে।

পাকিস্তানের রাজনীতিতে সেনাবাহিনী বড় ভুমিকা পালন করে। আইউব-ইয়াহিহিয়া-জিয়াউল-মোশাররফদের মত জেনারেলরা বছরের পর বছর ক্ষমতা দখলে রেখেছেন। অন্য সময় বেসামরিক সরকারগুলো সেনাবাহীনীর প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ সাপোর্ট নিয়েই ক্ষমতায় থেকেছে।

ইমরান খানও  ব্যতিক্রম নন। এখন দেখার বিষয়, বিলিয়ন বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পোষা পাকিস্তান সেনাবাহিনি দিন শেষে কি সিগ্নাল দেয়। অবে পশ্চিমাদের সাথে পাকিস্তান বিশেষ করে ইমরান খানের সম্পর্ক যে একেবারে তলানিতে, সেটা ধরে নেয়া যায়।

টেস্ট ক্রিকেটে অধিনায়ক সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই ইনিংস ডিক্লারেশন দেন। বিশ্বকাপজয়ী ইমরান খানের আগাম ইলেকশন তার দলের জন্য ভাল রেজাল্ট নিয়ে আসবে বলেই আশা করা যায়।

Leave a Reply