সংবাদ শিরোনাম

আরও সংবাদ

5 Comments

  1. 1

    The Patriot

    অত্যাচারী শক্তির উৎস হচ্ছে ওদের নিজস্ব সৃষ্ট কিছু অতিরিক্ত সুবিধাভুগী লাঠিয়াল বাহিনী আর এদের প্রধান হচ্ছে বৈধ অস্ত্রধারী পুলিশ! পুলিশের সহযোগিতা ছাড়া কোনো বাহিনীই কিছু করার সাহস বা ক্ষমতা রাখেনা। এই পুলিশের মধ্যেই যারা অতি উৎসাহিত হয়ে ছাত্রজনতার বিরুদ্ধে দাড়াচ্ছে ওরাই হাসিনার মত নরপশুদের রক্ষক!! ওদের ছত্রছায়ায় অন্য সব বাহিনী, হাতুড়ি, হেলমেট, লগিবইঠা ইত্যাদিরা সব অপকর্মগুলো করে। এই পুলিশের মধ্যে যারা ভালো সেজে চুপকরে বসে থেকে অন্যায়কারী পুলিশের বিরুদ্ধে কিছু বলছে না বা করছেনা তারাও সমান দোষী! অতএব, এই হারামজাদা পুলিশকে থামানো গেলেই মূল লক্ষ্য হাসিল হয়ে যাবে!! পুলিশ প্রতিহত করাই এখন একমাত্র কাজ হওয়া উচিত সকলের।

    দলমত নির্বিশেষে সকলকে একজোট হয়ে রাস্তায় নেমে জোরালো কন্ঠে পুলিশ নামের অবৈধ হাসিনার গুন্ডা বাহিনীকে জানাতে হবে যে – দেশদ্রোহী ওরাই যারা সম্পুর্ণ অবৈধ একটি সরকারকে রক্ষার জন্যে ন্যায়ের পক্ষে সংগ্রামরত সাধারণ ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে দাড়াচ্ছে! দেশদ্রোহীতার জন্যে অচিরেই বিচারের কাঠগড়ায় দাড়াতে হবে ওদের। শক্ত হাতে প্রতিহত করতে হবে এই পুলিশ নামের দুর্বৃত্তদের। এরা দেশদ্রোহী অমানুষ।

    দাবী এখন একটিই – সম্পুর্ন অবৈধভাবে জেঁকেবসা ভারতীয় দালাল এবং গুন্ডা বাহিনী গঠিত এই অপশাসক, দেশদ্রোহী চক্রের সর্বনাশা চক্রান্তের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করা। কোন রাখঢাক নয়, টু-দ্যা-পয়েন্ট, একমাত্র দাবী – অবৈধ সরকার নামক হারামজাদাদেরকে নির্মুল করা। only slogan – OUST THE TRAITOR BASTARDS!!

    Reply
  2. 2

    The Patriot

    আমাদের সেনাপ্রধান :

    সেনাপ্রধান একটি প্রতিষ্ঠান! কি ধরনের প্রতিষ্ঠান তিনি? কোনো বিশেষ দলের তেলবাজি করার প্রতিষ্ঠান? কোনো বিশেষ দলের স্বার্থ রক্ষার জন্যে গোটা দেশের জনগণের বিরুদ্ধে দাড়ানো এবং ভোটের সাংবিধানিক অধিকার হরনের প্রতিষ্ঠান? নির্লজ্জ এই লোকটি অবৈধ ভাবে পদোন্নতি নিয়ে, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশের সংবিধানকে ধর্ষণ করেছে! হীন এই দেশদ্রোহী কাজের জন্যে গণ আদালতের বিচারে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত হয়েই আছে এই হারামী। ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে পঁচা দুর্গন্ধময় বর্জ্য হিসেবে স্থান করে নিয়েছে অলরেডি। এখন দেখার বিষয় আরো কি কি চমৎকার সে দেখায় আগামী দিনগুলোতে। ন্যুনতম মানবিক গুণাবলী এবং স্বকীয়তাবোধ থাকলে হয়তো নিজের অপকর্মের অনুশোচনার অনুভূতি থেকে ভালো কিছু একটা করে শেষ মুহুর্তে হলেও দেশকে এই ভারতীয় দালালদের হাত থেকে মুক্ত করার পদক্ষেপ নিতো। মার্শাল’ল দিয়ে সকল দেশদ্রোহীদেরকে নির্মুল করে একটি জাতীয় সরকার গঠনের ব্যবস্থা করে দিতো। কিন্তু মেরুদণ্ডহীন এই প্রাণীর কাছথেকে এরকম কিছু আশা করা বাতুলতা মাত্র। এদের জন্মই অবৈধ সুবিধা নিয়ে অন্যের ক্ষতি করে যে কদিন সম্ভব কুকুর বিড়ালের মতো বেঁচে থেকে মানুষের অভিশাপ নিয়ে মরে যাওয়া!! কার কি হলো, কে কি বললো, দেশ বাঁচলো না জাহান্নামে গেলো তাতে এদের কিছুই আসে যায় না – দুর্ভাগ্য এ জাতীর এ সকল বোঝা জন্ম দেওয়ার জন্য………..

    Reply
  3. 3

    Prof. M A Bashar

    ‘আগ্রাসন বিরোধী আটস্তম্ভ’ (১) সার্বভৌমত্ব (২) গণতন্ত্র (৩) গণপ্রতিরক্ষা (৪) সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি (৫) অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা (৬) দেশীয় শিল্প-কৃষি-নদী-বন-বন্দর রক্ষা (৭) সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা (৮) বি-উপনিবেশায়ন। বাংলাদেশের সকল নাগরিকের মনের একনিষ্ট দাবি এই আট স্তম্ভ। বাংলাদেশের সকল নাগরিক বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে এই লক্ষ্যঃ অর্জন করবে ইনশাল্লাহ। ফ্যাসিবাদের পতন ধ্বনি আমরা শুনতে পাচ্ছি। জনতার বিজয় অদূরে ইনশাল্লাহ।

    Reply
  4. 4

    Mortuza Huq

    আবরারের উত্তরসূরী তরুণ যুবসমাজ নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছে যে এই আগ্রাসী দানবকে হটাতে হ’লে খন্ডিত আন্দোলনে কাজ হবে না। সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান মেরামত করে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার এক দফা দাবী নিয়ে, শোনা কথায় কান না দিয়ে দেশপ্রেমিক শক্তির উচিৎ হবে সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, ছাত্র, পেশাজীবি এবং সকল স্তরের নাগরিকের সাথে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলে নিরবচ্ছিন্ন ভারত-বিরোধী আন্দোলন থেকে গনঅভ্যুত্থান ঘটানো। সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান মেরামত করার মানে হচ্ছে, বিপ্লবী সরকার প্রথম দুই বছর সংবিধান সংশোধন করে বা নুতন সংবিধান প্রনয়ন করে কেয়ারটেকার ব্যবস্থা, বিচারক, ইলেকশন কমিশনারসহ সকল সাংবিধানিক পদে নিয়োগের আইন তৈরি করে তারপর গনতান্ত্রিক নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। শুধু এভাবেই ৮০% এর বেশী ছাত্র, জনগন, এবং সকল বাহিনীর দেশপ্রেমিক সদস্য এক সাথে রাস্তায় নামবে। আর দেশে আবার গনতন্ত্র ফিরে আসবে। গনতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা হলেই তবে ঘরে ফেরার সপথ নিতে হবে।

    Reply
  5. 5

    Islam

    I think people would like to get involved in the struggle process but not in a traditional manner. We need to understand, things has changed in lifestyle and culture. So important to be more strategic and contemporary in mobilization. Amardesh is a big tool for information and credit goes to Mr. Mahmudur Rahman.

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

© স্বত্ব আমার দেশ ২০০৮ – ২০২০