সংবাদ শিরোনামগুলো
>>ডাকাত বা লুটেরারা বদমাইশ কিন্তু তাদের সর্দারনী নিষ্পাপ!>>শেখ হাসিনাও সৌজন্য শেখাচ্ছেন!>>শেখ হাসিনাকে ক্ষমা চাইতে বললেন মির্জা ফখরুল>>৪ মানবাধিকার সংগঠনের যৌথ বিবৃতি: গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিন>>বিতর্কিত গণকমিশন ও ঘাদানিকের সাথে জড়িতদের আয়ের উৎস খুঁজতে দুদকে স্মারকলিপি>>লুটেরাদের ডলার লুটে টাকার মান কমল আরেক দফা>>আলেমদের বিরুদ্ধে তথাকথিত কমিশনের শ্বেতপত্র রাষ্ট্রদ্রোহিতা- সর্বদলীয় ওলামা ইউকে>>আওয়ামী লুটেরাদের ডলার লুট>>শেখ হাসিনার অধিনে কেউ ভোটে যাওয়ার চিন্তা করলে ভুল করবে-শামসুজ্জামান দুদু>>অবশেষে গডফাদার খ্যাত হাজী সেলিম কারাগারে: কতটা দ্রুততায় জামিন মঞ্জুর হয় সেটাই দেখার বিষয়

কাশ্মীরের মানবাধিকার কর্মী খুররাম পারভেজের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র

, ,

নিজস্ব প্রতিনিধি

সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে কাশ্মীরের প্রখ্যাত মানবাধিকার কর্মী খুররাম পারভেজের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িক নরেন্দ্র মোদী সরকারের পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ই মে) তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা ল’বিট এর ভেরিফায়েড টুইটার পোস্ট থেকে এতথ্য জানা গেছে।

কাশ্মীরের সুপরিচিত মানবাধিকার কর্মী খুররম পারভেজ। ২০২১ সালের ২২শে নভেম্বর কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর থেকে গ্রেফতার করেছিল ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ। তাকে পরবর্তীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আটক রাখা হয়।

তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে।

খুররাম পারভেজ দীর্ঘদিন ধরেই হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িক ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সরকারের কঠোর সমালোচক। তিনি কাশ্মীরভিত্তিক মানবাধিকার গ্রুপ জম্মু-কাশ্মীর কোয়ালিশন অব সিভিল সোসাইটি (জেকেসিসিএস) পরিচালনা করছিলেন। এই গ্রুপটি কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর মানবাধিকার হরণ এবং অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

এ ছাড়াও খুররাম পারভেজ এশিয়ান ফেডারেশন অ্যাগেইনস্ট ইনভলিন্টিয়ারি ডিসঅ্যাপিয়ারেন্সেস (আফাদ) এর চেয়ারপারসন। আন্তর্জাতিক এই মানবাধিকার গ্রুপটি কাশ্মীরসহ এশিয়ার বিভিন্ন স্থানে গুমের ঘটনার ওপর নজর রাখে।

এর আগে ২০১৬ সালেও একবার খুররাম পারভেজকে গ্রেপ্তার করেছিল ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ ২০২১ সালের নভেম্বরে গ্রেফতারের তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করল সাম্প্রদায়িক সরকার।

উল্লেখ্য, কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা দিয়ে ভারতীয় সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে দিয়েছে সাম্প্রদায়িক নরেন্দ্র মোদীর সরকার। এরপর থেকে কাশ্মিরের মানুষের সব রকমের অধিকার দমন করার লক্ষ্যে সেখানে ভারতীয় সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন এই রাজ্যের ইন্টারনেট সেবা পর্যন্ত বন্ধ করে রেখেছিল নরেন্দ্র মোদীর সাম্প্রদায়িক বিজেপি সরকার।

 

Leave a Reply