সংবাদ শিরোনাম

আরও সংবাদ

4 Comments

  1. 1

    Anis Chowdhury

    If you call them dogs then you basically insult the dogs. The dogs are way better than these Gomrul and her Hyena PM. I have one suggestion here for future when we hope to liberate the nation again. Replace the Bangladeshi-Indian police by a Bangladeshi police equipped and trained as real police. You cannot drive a BMW by Maruti engine.

    Reply
  2. 2

    Abubaker

    এই জনগণের রক্তমাকাদুর্নিতি পিপাসুকে লাঠি থেরাপি দেয়া হোক

    Reply
  3. 3

    The Patriot

    দেশের দরিদ্র, অসহায় জনগণের টাকা লুটপাট করে সেই টাকায় কিছু রাষ্ট্রদ্রোহি দলিয় গুন্ডাপান্ডাকে বেসুমার সুবিধা দিয়ে, অযোগ্য, অপদার্থ লোককে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সব পদে বসিয়ে, পুলিশ, বিজিবি, সামরিক বাহিনী এবং বিচার বিভাগকে সম্পুর্ণ ধংশ করে দেশকে বিদেশের হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের বিচার এদেশের মাটিতে হবেই একদিন। সেদিন মূল হোতারা যদি বেঁচে না ও থাকেন, তাদের উত্তরসূরীরাই বেনিফিসিয়ারী হিসাবে এই দায়ভার বহন করবে। তাদের বেঁচে থাকার অধিকার আছে কিনা তা এদেশের মানুষ সেদিন ভেবে দেখবে। মানুষ নামের কলংক, ন্যায়-নিতি-বিচারবোধহিন এই জানোয়ারগুলো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে যেভাবে কলংকিত করে চলেছে, পুলিশ নামের নর্দমার কিটগুলো নিজেদের ব্যক্তি স্বার্থে যেভাবে দলবাজি করে মানুষের ন্যুনতম অধিকারের গলাও টিপে ধরছে প্রতিনিয়ত – এদের এবং এদের সন্তান-সন্ততির যে কি হবে, কি ভয়াবহ পরিনতির শিকার হবে সেদিন তা ভাবতেও আমি শিউরে উঠছি। দুষিত রক্তের প্রতিটি ফোটা উপড়ে ফেলা হবে সেদিন এই মাটি থেকে। দুষিত জন্মের এই পশুগুলো হয়তো ধরেই নিয়েছে যে এদের কোন সমাপ্তি নেই; তা নাহলে কিভাবে এ সাহস পায়! এরা হয়তো ভাবছে অবস্থা বেগতিক হলে বিদেশে পালিয়ে গিয়ে শান্তিতে বসবাস করবে কিন্তু ওরা হয়তো জানেনা যে প্রায় প্রতিটি দেশেই রাষ্ট্রদ্রোহি-কিলিংস্কোয়াড তৈরী হচ্ছে এই বেজন্মা নরপশু গুলোকে শাস্তি দেয়ার জন্য। সেই সুদিনের অপেক্ষায়………..

    Reply
  4. 4

    sadat hussain

    “ক”ভাই,”গ”ভাইয়ের চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র।
    আলী আহম্মদ সাহেব এতো দিন চাঁদা দিয়ে এসেছেন।হঠাৎ করে,কি এমন হলো ? যে চাঁদাা দিতে অস্বীকার করলো,তিনি কি জানতেন না? চাঁদা দিয়ে দল করতে হয় ? দেশের মানুষ জানে,বুঝে চাঁদাবাজরা কি চিজ,আর আলী আহম্মদ সাহেবরা ভাজা মাছটাও উল্টিয়ে খাইতে
    জানেন না,আহাম্মক ও বিশ্বাস করবে না,আসলে হালুয়া রুটির ভাগাভাগিতে মনে হয় কোনো সমস্যা হয়েছ।
    এই সব আলী আহম্মেদের জন্যইতো আজ এই অবস্থা।ভালোই হলো।যেমন কর্ম তেমন ফল।এই সব লোকদের জন্য কোনো সহানুভূতির কোনো প্রযোজন নেই।
    অনেক ভেবেচিন্তে পার্লামেন্টের বিজ্ঞ অভিজ্ঞ সদস্যরা,যারা চাদা দিতে অস্বীকার করবে তাদের জন্য-ই তো অনেক ত্যাগ স্বীকার করে জনগণের কল্যানের জন্য তথ্য প্রযুক্তি আইন আবিষ্কার করেছে।

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

© স্বত্ব আমার দেশ ২০০৮ – ২০২০