সংবাদ শিরোনামগুলো
>>ডাকাত বা লুটেরারা বদমাইশ কিন্তু তাদের সর্দারনী নিষ্পাপ!>>শেখ হাসিনাও সৌজন্য শেখাচ্ছেন!>>শেখ হাসিনাকে ক্ষমা চাইতে বললেন মির্জা ফখরুল>>৪ মানবাধিকার সংগঠনের যৌথ বিবৃতি: গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিন>>বিতর্কিত গণকমিশন ও ঘাদানিকের সাথে জড়িতদের আয়ের উৎস খুঁজতে দুদকে স্মারকলিপি>>লুটেরাদের ডলার লুটে টাকার মান কমল আরেক দফা>>আলেমদের বিরুদ্ধে তথাকথিত কমিশনের শ্বেতপত্র রাষ্ট্রদ্রোহিতা- সর্বদলীয় ওলামা ইউকে>>আওয়ামী লুটেরাদের ডলার লুট>>শেখ হাসিনার অধিনে কেউ ভোটে যাওয়ার চিন্তা করলে ভুল করবে-শামসুজ্জামান দুদু>>অবশেষে গডফাদার খ্যাত হাজী সেলিম কারাগারে: কতটা দ্রুততায় জামিন মঞ্জুর হয় সেটাই দেখার বিষয়

ছয় ঘোড়ার চাবুক

, ,

আরিফুল হক

দেখুন মূলত: আমি একজন শিল্পী।
সকল শিল্পের সমন্বয়ে গড়া, art of all arts যে শ্রেষ্ঠ শিল্প, সেই নাট্য শিল্পী আমি। প্রকৃত শিল্পী, কবি, সাহিত্যিকদের, আল্লাহ তায়ালা এক গভীর অন্তৰ্দৃর্ষ্টি দিয়ে সৃষ্টি করেন। যার ফলে তারা সমাজের অনেক গভীরের ভালো মন্দ, ত্রুটি বিচ্যুতি গুলো দেখতে পান। সেগুলো নিয়ে ভাবেন, আর তার জারক রস মিশিয়ে সৃষ্টি করেন আপন শিল্প কর্ম।

আমি বিগত ৭৮বছর ধরে, সেই অন্তর্দৃষ্টির আলোকে দেখা অভিজ্ঞতা দিয়েই আমার শিল্প কর্ম সাজিয়ে এসেছি। সেই সুদূর কলকাতা থেকে শুরু করে,পাকিস্তান হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত,কত মানুষের হৃদয়ে যে স্থান পেয়েছি, কত মানুষ যে আমার হৃদয়ের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছে তার সুমার করা সত্যি কঠিনl তাদের সুখ দুঃখ, হাসি কান্না, আমার অন্তর্দৃষ্টিকে আলোকিত করেছে, অভিজ্ঞতা কে সমৃদ্ধ করেছে। সেই অন্তর্দৃষ্টি আর অভিজ্ঞতার আলোকে আমি বর্তমান পৃথিবী, দেশ ও সমাজের গভীরে আলোকপাত করে যে অন্ধকার এবং ত্রুটি বিচ্যুতি গুলো দেখতে পাই, সেগুলোই আমার লেখায় ফুটিয়ে তুলে মানুষকে সতর্ক করার চেষ্টা করি। আগে অনেক লেখালেখি করতাম, আজকাল ছেড়ে দিয়েছি। আমার দেশ পত্রিকাটি নতুন করে বেরোবার পর লেখার চর্চাটা অল্পবিস্তর চালু রেখেছি। আমার লেখা পড়ে অনেকে ভালবাসা দেন আবার কেউ কেউ আমার গলায় বিশেষ দল বা মতের তকমা লাগিয়ে হেয় করতে চান। যার যেরকম রুচি।

আমার কৈফিয়ত হল, আমি কোনো দলের শিকলে বাঁধা নই। প্রকৃত শিল্পীকে শিকলে বাঁধা যায়না। সে কোন লোভ লালসার মুখাপেক্ষী নয়। যারা কারো শিকলে বাঁধা থাকেন তারা শিল্পী নয়, ফরচুন মেকারl শিল্পীর একটা জাত আছে, সবাই শিল্পী হতে পারেনা।

ঘষে মেজে অভিনেতা হওয়া যায়,গাইয়ে হওয়া যায়, আঁকিয়ে, বা কবি হওয়া যায়, শিল্পী হওয়া যায়না। শিল্পী হতে হলে কঠোর সাধনা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে পরিপূর্ণ মানব জীবনের দর্শন লাভ করতে হয়। তবেই শিল্পী খেতাব অর্জন করা যায়। আমাদের দেশের কথা অবশ্য আলাদা। এখানে আদর তোষামোদের মাধ্যমে, যে কোন মিডিয়ায় দু একবার মুখ দেখাতে পারলেই শিল্পী খেতাব হাসিল হয়ে যায়। আর তৈলমর্দন প্রক্রিয়াটি রপ্ত থাকলে, একুশে বাইশে তকমা ছাড়াও মন্ত্রিত্বের শিকেও ছিড়ে পড়তে পারে।

যাক সে সব কথা। বলছিলাম নিজের কথা। আমি দীর্ঘ দিন ধরে দেশের নাট্য শিল্পের চর্চায় রত ছিলামl বলতে গেলে বাংলাদেশের মুসলিম নাট্য বা অভিনয় চর্চার সূচনাকালের দু-একজনের নাম করার থাকলে আমার নামটি আসতে পারে বলে মনে করি। আমাদের সময় বাংলাদেশের নাটক, বিশেষ করে টিভি নাটক, দেশ ছাড়িয়ে, ভারতের পশ্চিম বঙ্গে বা উত্তর বঙ্গেও জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো। সেখানের মানুষ, ছাদের উপর বা গাছের উপর উঁচু বাঁশের ডগায় হাঁড়ি বাসনের এন্টেনা বেঁধে এদেশের টিভি নাটক দেখার চেষ্টা করতো। পশ্চিম বঙ্গের মুখ্য মন্ত্রী জ্যোতি বসু কে বলতে শুনেছিলাম “সময় পেলে আমি বাংলাদেশের নাটক দেখি”।

আজ শুনি, বাংলাদেশের মানুষই নাকি বাংলাদেশের নাটক দেখেনা, বেশির ভাগ দর্শক ভারতীয় সিরিয়াল দেখতে অভ্যস্ত হলে গেছেl এই হয়েছে নাট্যশিল্পের হাল। তারপরও জাতীয়, বিজাতীয়, একুশ বাইশ প্রভৃতি পদক তকমার ছড়া ছড়ি। বাংলাদেশের শিল্পী পাড়ায় এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবেনা যাদের গলায় ওগুলো ঝুলছেনা। ব্যতিক্রম শুধু আমি। সারাজীবন শিল্পকে ভালবেসে সাধনা করেছি। কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক তকমার কাছে নিজেকে বিকিয়ে দিইনি। কেনার চেষ্টা যে হয়নি, তা বলবোনা। কিন্তু যখন দেখেছে এ চিজ, বাঁধা পড়ার চিজ নয়, তখনি উচ্ছিষ্টের কলাপাতাটা সামনে থেকে সরিয়ে নিয়ে অন্য কারও পাতে তুলে দিয়েছে।

ভাবছেন নিজের ঢোল এত পেটাচ্ছি কেন? ঢোলের বাদ্য, অল্পক্ষণ নাহয় শুলনেনই। সারাক্ষণ তো উন্নয়নের জয়ঢাক, কিংবা ড্রাম পেটানোর কর্কশ আওয়াজ শুনছেনই। আমি থেমে গেলেই তো আবার শুরু হবে উন্নয়নের জয়ঢাক এবং ভাঙ্গা ড্রামের যুগলবন্দী। তাছাড়া এটা আমার নিজের ঢোল বাজাচ্ছিলাম না। আমাকে সাক্ষী খাড়া করে বর্তমান বাংলাদেশের সামাজিক সাংস্কৃতিক অবক্ষয়ের চিত্র তুলে ধরছিলাম। কি চেহারা হয়েছে দেশটার। আন্তর্জাতিক মানের কোন কিছুই কি থাকতে নেই সতের কোটি মানুষের দেশটাতে।

শুধু ব্যাঙ্ক লুট, টাকা পাচার, রাষ্ট্রীয়বাহিনীর হাতে গুম খুন, কাস্টডিতে নিয়ে ধর্ষণ, মাদক ব্যবসা সহ যতরকমের কুকর্ম আছে তারই চর্চাকেন্দ্র সৃষ্টির জন্যই কি দেশটা স্বাধীন হয়েছিল। ৫০টা বছর কম সময় নয়, এতগুলো বছর পরে বাংলাদেশের শহর গ্রামের ছবি দেখলে কি মনে করার কোন কারন আছে যে এটা একটা স্বাধীন দেশের ছবি।

বাংলাদেশের মস্ত নেতা, ত্রস্ত নেতা, মসিজীবী শুদ্ধিজীবি, গায়ক নায়ক, মন্ত্রী ষড়যন্ত্রী, যারা ধেই ধেই নাচে, উন্নয়নের ঢাক পেটায়, স্বাধীনতার মূর্তি বানায় তাদের কাছে জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করে, এই যদি স্বাধীনতা হয় তাহলে পরাধীনতা কাকে বলে?

একজন শিল্পীর জীবনমুখী দৃষ্টি নিয়ে বলতে পারি এ স্বাধীনতা স্বাধীনতা নয়, এক মনোনীত রাজতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ মাত্র। মাঝে ১৯৭৫ সালে এক সচেতন সেনা বিপ্লবের মধ্যদিয়ে মুক্তির সূর্যোদয়ের আভাস পাওয়া গিয়েছিল বটে, কিন্তু কিছুদিন পরেই আবার সে আলো কালো মেঘে ঢাকা পড়ে যায়।

বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য যে এদেশটা ভারত নামক ন্যায়নীতিহীন, বিবেক বর্জিত, সাম্প্রদায়িক, হিংস্র একটি দেশ দ্বারা পরিবেষ্টিত। যারা জন্মলগ্ন থেকে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশটির প্রতি শত্রু ভাবাপন্ন। বাংলাদেশের মানুষের আবেগ আর বুদ্ধিভ্রষ্টতার কারনে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও, প্রকৃত স্বাধীনতার ব্যাটন টা ভারতের হাতে তুলে নিয়েছে। মাঝে কিছু সময় বিএনপি শাসন ক্ষমতায় এলেও তারা নির্ঘুম কাটাতে পারেনি। ফন্দি ফিকির করে বিএনপিকে জোর করে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে আবার সেই পারিবারিক রাজতন্ত্রের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয় ভারত। প্রশ্ন করতে পারেন কেন বলছি এসব কথা।

আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে বেগম জিয়ার ২০০১-৬ শাসনের সময় আওয়ামীলীগের ১৭৩ দিন হরতাল, বাস জালানো, প্রেটলপাম্পে আগুন, চট্টগ্রাম রেল স্টেশন জালিয়ে দেয়া, মাইলের পর মাইল রেললাইন উপড়ে ফেলা প্রভৃতি আন্দোলনের নামে এনার্কির কথা। যার ফলে ১/১১ হয়েছিল, মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিন ক্ষমতায় এসেছিল সেকথাও ভোলেননি নিশ্চয়। ২০০৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের সেনাপ্রধান মইনুদ্দিন ভারত সফরে গিয়ে ভারতের প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জির কাছ থেকে হাসিনাকে ক্ষমতায় বসানোর নির্দেশ এবং ভারতীয় সেনাপ্রধান দীপক কাপুরের কাছ থেকে ৬টি ঘোড়া উপহার নিয়ে আসেন। যা ছিল দেশটির জন্য অভিনব উপহার। দেশে ফিরে তিনি ভারতের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিলেন। চুরির নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি হাসিনাকে ক্ষমতা বসিয়েছিলেন, ৬ ঘোড়ার চাবুক হাসিনার হাতে তুলে দিয়ে তিনি নির্বিঘ্নে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে এই ছয় ঘোড়া ছিল হাসিনার প্রতি ৬টি প্রতীকী নির্দেশ। ১) ভারতীয় স্বার্থের পক্ষ শক্তি, দল, অর্গানাইজেশন, ব্যক্তি সকলকে ক্ষমতার কাছাকাছি নিয়ে আসতে হবে। ২) দেশ থেকে ইসলামী চিন্তাধারা ধ্বংস করে, ধর্মনিরপেক্ষতা প্রচারের পথ সুগম করতে হবে। ৩) দেশের সেনাবাহিনী, দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী দুর্বল করে এবং দেশের প্রশাসনব্যবস্থা পঙ্গু করে সর্বত্র ভারতীয় এজেন্টদের নিয়োগ দিতে হবে। ৪) ট্রানজিট, করিডোর ও বন্দর ব্যবহার ভারতের জন্য সুনিশ্চিত করতে হবে। ৫) দেশের সমস্ত গণমাধ্যমকে ভারত বিরোধিতার কবলমুক্ত রাখতে হবে। ৬) দেশের অর্থ ও ব্যনিজ্য ব্যবস্থা কে ভারত নির্ভরশীল করতে হবে। গত ১৫ বছরের হিসাব মিলিয়ে দেখুন তো দুয়ে দুয়ে চার হয় কিনা।

জনগণের মগজে ঢোকার জন্য আরও কয়েকটি সূত্র আপনাদের স্মরণ করিয়ে দিই। হাসিনা ৬ ঘোড়ার চাবুক হাতে নেয়ার পরপরই, ভারতের প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল শঙ্কর রায়চৌধুরী, ২৪মার্চ ২০০৯ এশিয়ান এজ পত্রিকায় এক সাক্ষাতকারে বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশ খুব সহজেই এবং বারবার নয়াদিল্লীর রেডার থেকে সরে যায়, কিন্তু এবার তা হতে দেয়া যাবেনা’।

তিনি ঐ সাক্ষাতকারে আরও একটা তথ্যদিয়ে বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশকে নিজ কব্জায় রাখার উদ্দেশ্যে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান ‘গ্রেটগেম’ এর অংশ হিসাবেই নাকি পীলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল’। এই ভারতীয় জেনারেল এস রায়চৌধুরী হেজিপেজি কোন জেনারেল নয়, ইনিই হায়দ্রাবাদ দখল করে নেহেরু কে তোহফা দিয়েছিলেন। বুদ্ধিমানেরা কি বুঝতে পারছেন আমরা কোন স্বাধীনতায় বাস করছি। যদি না বুঝে থাকেন তাহলে আরও উঁচু দরের ভারতীয় নেতার কথা দিয়ে পরিষ্কার করে দিই। ইনি ভারতের প্রাক্তন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মিঃ মনোহর পানিকর। মিঃ পানিকর, পানির মত করে বুঝিয়ে বলেছিলেন, ‘লঙ্কা জয় করে রাম যেমন তা বিভীষণ কে দিয়েছিলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও ভারত তাই করেছে’।

১৪ ডিসেম্বর ২০১১, দিল্লিতে এক সেমিনারে ভারতের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রিটায়ার্ড মেজর জেনারেল অশোক মেহতা বলেছিলেন, ‘১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে সহায়তা দেবার বিনিময়ে ভারত যা কিছু পাওয়ার আশা করেছিল, সেসব পাওয়া শুরু হয়েছে, এবং প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা, আরেক দফা ক্ষমতায় থাকলে ভারতের সম্পূর্ণ লক্ষ্য অর্জিত হতে পারে’। সেই কথা হাসিনাও বলে ফেলে “আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল সে কথা মনে রাখবে”। 20th Dec. 2011, ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘The center for International affairs’ নামের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক এর সভাপতি, এম কে রাজ গোর্ত্রা বলেছিলেন ‘সীমান্ত উন্মুক্ত হলেই ঢাকা দিল্লির মধ্যকার সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে’l

স্বাধীন দেশের সরকারকে কোন প্রতিবাদ করতে শুনেছেন? না! সরকারও চুপ, জনগণও চুপ। এই চুপচাপের রেশধরে দেশটা আজ মগেরমুল্লুকে পরিণত হয়েছে। বাকি আছে শুধু ‘৪৭এর আগের মত সীমান্ত উন্মুক্ত করে ভারতে মিশে গিয়ে দ্বিতীয় সিকিম হয়ে যাওয়া।

বুজদিলরা তারপরও মনে করছে ভারতীয় রিমোটে নিয়ন্ত্রিত, লক্ষলক্ষ র’ ক্যাডার পরিবেষ্টিত হাসিনাকে ভোটের মাধ্যমে পরাজিত করে সরকার পরিবর্তন করবে, গণতন্ত্র আনবে কত আশা। ধন্য আশা …….।

শিল্পীর একটি অনুরোধ শুনুন। নিজেরা বাঁচতে হলে, দেশটা বাঁচাতে হলে, গণ বিপ্লবের কোন বিকল্প নেই। সে নিরস্ত্র হোক বা সশস্ত্র। দেশব্যাপী গন বিপ্লবের জোয়ার সৃষ্টি করুন। দেশের ভিতরের ভারতীয় এজেন্ট, ও তাদের নিয়ন্ত্রক ভারতের বুকে ত্রাসের কাঁপন সৃষ্টি করুন। আপনারা পারবেন। আপনারা শাহ জালাল, শাহ পরান, শাহ আলি মখদুম, শাহ আলি বোগদাদি, খাজা খান জাহান আলির উত্তরসূরি। তাঁদের পবিত্র রক্ত আপনাদের শিরায় বহমান। আপনারা পারবেন আপন কওম কে বাঁচাতে। দেশি বিদেশি শত্রুর বিষদাঁত ভেঙে দিয়ে সত্যিকার স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে। তার জন্য চাই ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তা, নিশ্ছিদ্র একতা, ও কঠিন মনোবল। “ওয়া উখরা তুহিব্বুনাহা, নাসরূম মিনাল্লাহি ওয়া ফাতহুন কারিব” (সুরা সাফ-১৩)।

লেখক: কলামিষ্ট, বুদ্ধিজীবী ও প্রখ্যাত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব

Leave a Reply