সংবাদ শিরোনাম

আরও সংবাদ

6 Comments

  1. 1

    Prof. M A Bashar

    বাংলাদেশের রাজনীতি ধ্বংসের শেষ সীমানায়। একটি দেশের সরকার ও প্রশাসন যখন পীড়ন-দমনে ব্যস্ত থাকে, তখন যা হবার তাই হচ্ছে। বাংলাদেশকে যারা ব্যর্থ রাষ্ট্রের আশঙ্কা শোনাতো , তাদের নেতৃত্ব ও পরিকল্পনায় দেশ আজ স্বাধীনতা হারাতে বসেছে। দেশ যদি হারিয়ে যায়, দল , জন্মদাতা সব হারিয়ে যাবে। এইযে ভয়ংকর খেলা চলছে তার এটি টানতে না পারলে বাংলাদেশ হারিয়ে যাবে ইতিহাসের পাতায়। জনগণ রাষ্ট্যের মালিক। জনগণ ই পারেন এই ভয়ংকর অপকীর্তির বিচার করতে। যারা লোভী, যাদের আত্বসম্মান নেই, যারা প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে, তারা দেশকে শুধুই পুড়ে ছারখার করবে। জরিনা পরীরা জাতিকে আর কত গভীর খাদে নিয়ে যাবে? দুর্নীতি,দুঃশাসন ও জালেমের হাত থেকে দেশ রক্ষাই বড় কথা।

    Reply
  2. 2

    কালাম মীর

    আশ্বস্ত হোন যে, পরিবর্তিত সময়ে এই “জরিনা সুন্দরীদের” একটাকেও খুঁজে পাওয়া যাবে না! কিন্তু, এদেরকে ‘দুর্বল’ ভাবার কোন কারণ নাই – এরা সাপের চেয়েও ভয়ংকর যা অবস্থা বুঝে গর্তে ঢুকে পড়ে। আমাদের দুর্ভাগ্য যে, এমন নাগ-নাগিনীর উপদ্রব আমরা সময় মত রোধ করি নাই! – সে যাই হোক, সময়ের আবর্তে, এদেরকে চেনা গেছে – এটা বড় পাওনা বটে!! শুভ কামনা!

    Reply
  3. 3

    Md

    আপনার বা আরও পরিচিত লেখকদের প্রোফাইলে যারা বাজে কমেন্ট করে অথবা কোন পাল্টা যুক্তি না দিয়ে অবৈধ সরকারের পক্ষে গৎ বাঁধা কিছু কমেন্ট করে এরা হলো সবগুলো পেইড দালাল এবং এদের বেশির ভাগ আইডি দেখবেন ফেইক এবং লক করা।

    অনলাইনে বেশিরভাগ কমেন্ট এই বদমাশগুলোর বিপক্ষে যায় বিধায় ফেইক একাউন্ট দিয়ে লীগের পক্ষে পজেটিভ কিছু কমেন্ট করে ভারসাম্য আনার জন্য চেষ্টা করে।

    এদের বিভিন্ন প্রাইভেট গ্রুপ রয়েছে যেখানে অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে কেউ কিছু লিখলে সেই লেখার লিংক গ্রুপে দিয়ে দেয় এবং সব বেতনভুক্ত দালালগুলো হায়েনার মত সেখানে ঝাপিয়ে পড়ে।

    Reply
  4. 4

    মুজিবনগর

    একটি গুরুত্বপূ্র্ন তথ্য দিচ্ছি, লিখে রাখুন।

    বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচাইতে কলংকিত সেনাপ্রধান হলো জেনঃ আজিজ আহমেদ, সে নাকি নটরডেম কলেজের ছাত্র ছিল, বনানীর কবরস্থানের নিকট অবস্হিত নটরডেমিয়ন ক্লাবের সে গুরুত্বপূর্ন অনারারী মেম্বারও বটে। অথচ নটরডেম কলেজের কোথাও তার নাম কখনই ছিল না। এটা এই জাতীর জন্য সবচাইতে পরিহাসের।

    ২/ ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে যতগুলি স্থাপনা, যা কিনা ‘জিয়াউর রহমানের সময় তৈরী’,বর্তমানে রয়েছে, তার প্রতিটি ভেংগে ফেলার অনুমতি পেয়েছে আজিজ। সবগুলো স্থাপনা ভেংগে জিয়ার নাম সড়িয়ে ফেলে, সেখানে নুতন মর্মর পাথরে জেঃ আজিজ আহাম্মেদের নাম লিখা হচ্ছে।

    ৩/ ক্যান্টনমেন্ট ঈদগাহ্ ময়দান ‘জামে মসজিদ’, শিখা অনির্বানের উল্টো দিকে অবস্থিত, ভেংগে নুতন মসজিদ নির্মান কাজ প্রায় শেষ, এটি তার প্রমান। যথেষ্ট বড় থাকা স্বত্তেও এটি ভেংগে ফেলার পিছনে শুধুমাত্র একটি কারন, আর তা হোল জিয়ার নামকে সড়িয়ে ফেলা বা নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া ইতিহাস থেকে। হায়রে এ জাতী!

    ৪/ খুব শিগ্রী দেখা যাবে একটি আধুনিক ডিজাইনের ‘শিখা অনির্বান’, যা স্থাপন করা হবে পুরোনোটি ভেংগে ফেলে। কারন ঐ একটিই। শিখা অনির্বানও তৈরী জিয়াউর রহমানের সময় কালে, এটির মর্মর পাথরে লেখা আছে জিয়াউর রহমানের নাম। তবে ভিত্তি প্রস্তরটি কায়দা করে সড়িয়ে বর্তমানে স্থাপন করা হয়েছে এমন একটি বেকায়দা স্থানে যেখান থেকে এটি কারও চোখে পড়বার নয়। এই হোলো আওয়ামী লীগের ইতিহাস পরিবর্তনের বা মুছে ফেলার রাজনৈতিক খেলা।

    Reply
  5. 5

    মুজিবনগর

    এসব কনট্রাকটরের কাজ পেয়ে থাকেন আজিজের বন্ধুরা, যা কিনা ৫ থেকে ৭ গুন বেশী দামে দরপত্র খোলা হয়ে থাকে। ক্যান্টনমেন্টের মধ্যে, ঢাকা সহ অন্য সব জেলায়, মরহুম জিয়াউর রহমানের সময় সব চাইতে উন্নয়ন কাজ হয়েছে। সেজন্য সর্বস্হানে জিয়াউর রহমানের নাম স্বাভাবিক কারন্ই শোভা পেয়ে থাকে। হাসিনার দুচোখে যন্ত্রনা হয় প্রচন্ড এসব চোখে পড়ে গেলে, তাই চীটুকরদের অভাব পড়েনি। তাই আজকাল Cantonment Board এর CEO পদে সিলেকসন দেওয়া হয় অত্যান্ত নিম্নমানের অফিসারদের, যারা নিয়োগ পেয়েই একজন সাধারন মেজরকে সার সার বলে থাকে। আর আজকাল সামরিক অফিসারদের মানও ঐ রকমই।

    বিষয়টি ভবিষ্যতের জন্য অত্যান্ত প্রনিধান যোগ্য।

    Reply
  6. 6

    নাজিম ফিরোজ

    সব কিছুরই শেষ আছে এসবেরও একদিন শেষ হবে তখন এসব ইতিহাসের অন্ধকারে তাদের স্থান হবে।

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

© স্বত্ব আমার দেশ ২০০৮ – ২০২০