সংবাদ শিরোনাম

আরও সংবাদ

5 Comments

  1. 1

    Abubaker

    হাসিনার অবসান কবে হবে

    Reply
  2. 2

    নাজিম ফিরোজ

    ইনশাআল্লাহ এভাবে একদিন সব জুলুম বাজের পতন হবে।
    ক্ষমতা মানুষকে সম্মানিত করে আবার ইতিহাসের নিকৃষ্ট বস্তুতেও পরিনত করে উদাহরণ স্বরুপ আল্লামা আহমদ সফি এ-ই একটা থেকে শিক্ষা নেয়া উচিৎ।
    আল্লাহ আমাদেরকে সহি বুঝ দান করুন আমাদেরকে দুনিয়ায়ও আখেরাতে সম্মানিত করুন।

    Reply
  3. 3

    মুজিবনগর

    হাটহাজারীর এই প্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু হওয়া আগুন ছঁড়িয়ে পড়া উচিত বাংলাদেশের আনাচে কানাচে।ভুলে যাওয়া উচিত নয় এই সংগামের শুরুর কথা, কিভাবে সরকার দমন করার নামে কি পৈশাচিক ভাবে শত শত তাঁজা রক্ত প্রান দিয়েছিল, গুলি করে জখম করা পর রাইফেলের বাট দিয়ে মাথার খুলি গুলো কে পটাস পটাস করে সেদিন ফাটিয়ে ছিল কারা সরকারের হুকুমে? শাপলা চত্তরে সেদিন দমন নীতির ঘোষনা করেছিলেন ততকালিন স্হানীয় সরকার মন্ত্রী এক মদ্যপ আশরাফুল ইসলাম, এবং লেলিয়ে জিতেছিলেন বিডিআর, RAB ও পুলিসকে। সেদিন বিডিআরের নেতৃত্ব দিয়েছিলো আজকের সেনাবাহিনী প্রধান আজিজ, যিনি এসেছেন একটা গুণ্ডা পরিবার থেকে। আর Rab এর দায়িত্বে ছিলেন আজকের এই ভারতীয় এজেন্ট পুলিস প্রধান বেনজীর আহাম্মেদ, আর ডিএমপির প্রধান সেই কুলাংগার, যে অবসরে গিয়েছে। রাতের আঁধারে রাস্তার আলো নিভিয়ে পিটিয়ে মেরেছে শত শত বাচ্চা ছেলেদের আর যুবকদের। তাঁড়িয়ে দিয়েছিল সেদিন আপনাদের ঢাকা শহর থেকে। সেই আপমানের প্রতিশোধ না নিয়ে এখনো চুপ করে বসে আছেন কি করে। শেখ হাসিনা সেদিন ছিলেন জল্লাদের ভূমিকায়, দিল্লীর নির্দেশে কাজ করেছেন তিনি, আর এমন ভাবে দমন করার কুবুদ্ধি দিয়েছিল এক ভারতের বেঁটে বাঁমন প্রনব মূখার্জী।

    বাংলার সব মাদ্রাসা এক হয়ে গিয়ে এগিয়ে যান ঢাকার পথে, পিটিয়ে মারেন হাসিনার দল ও তাদের চেলাপান্ডাদের, যারা ভারতের সেবাদাসে পরিনত হয়েছে। এদেশ মুসলমানদের এবং ভারতকে পুরো সম্মান দিয়ে কথা বলতে হবে আমাদেরকে। ভারতের কোন আগ্রাসন চলবে না এবং তাদের দালালদের জানে মেরে ফেলতে হবে একটা একটা করে, যে মুসলমানই হােক, হিন্দু হোক বা যেই হোক সে।

    দেশ বাঁচানো আমাদের দায়িত্ব আর মুসলমান কে কেউ দমন করতে পারবে না। সবাই দলবদ্ধ হয়ে প্রস্তুতি নিন।

    Reply
  4. 4

    মুজিবনগর

    মওলানা মামুনুল হক তিনি কোথায়।
    তার কন্ঠের সেই আওয়াজ আবার জেগে উঠুক।
    বাংলার আকাশ বাতাস বিদীর্ণ করে স্বাধীনতার ডাক, ভারতের গোলামী থেকে তৌহিদী জনতাকে বেড়িয়ে আসতে শুনতে চাই সেই ব্যাঘ্র কন্ঠের আওয়াজ।

    লা ইলাহা ইল্লাললাহু, মোহাম্মাদুর রাসুল্লাহ্

    নাড়ায়ে তাকবীর, আল্লাহ্ আকবার!

    Reply
  5. 5

    Sufi Chowdhury

    শাপলা ফুটুক আবার জলে
    ঘাপলা করি দূর,
    চল্ নওজোয়ান শংকা কিসের
    আল্লাহু তোল্ সুর!
    বীর কভু না বাঁধন মানে
    শীর যাবে তো যাক,
    স্বাধীন করি ফিরবে এদেশ
    করবে জমীন পাক!
    হাজার হাজার আল্লাহ-প্রেমিক
    দেখিয়ে গেছে পথ,
    জীবন দিয়ে রাজ সে পথে
    শুকোয় নি এ ক্ষত!

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

© স্বত্ব আমার দেশ ২০০৮ – ২০২০