সংবাদ শিরোনামগুলো
>>ডাকাত বা লুটেরারা বদমাইশ কিন্তু তাদের সর্দারনী নিষ্পাপ!>>শেখ হাসিনাও সৌজন্য শেখাচ্ছেন!>>শেখ হাসিনাকে ক্ষমা চাইতে বললেন মির্জা ফখরুল>>৪ মানবাধিকার সংগঠনের যৌথ বিবৃতি: গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিন>>বিতর্কিত গণকমিশন ও ঘাদানিকের সাথে জড়িতদের আয়ের উৎস খুঁজতে দুদকে স্মারকলিপি>>লুটেরাদের ডলার লুটে টাকার মান কমল আরেক দফা>>আলেমদের বিরুদ্ধে তথাকথিত কমিশনের শ্বেতপত্র রাষ্ট্রদ্রোহিতা- সর্বদলীয় ওলামা ইউকে>>আওয়ামী লুটেরাদের ডলার লুট>>শেখ হাসিনার অধিনে কেউ ভোটে যাওয়ার চিন্তা করলে ভুল করবে-শামসুজ্জামান দুদু>>অবশেষে গডফাদার খ্যাত হাজী সেলিম কারাগারে: কতটা দ্রুততায় জামিন মঞ্জুর হয় সেটাই দেখার বিষয়

দুর্নীতির ভয়াবহতায় আওয়ামী নেতাদের পকেটই এখন একেকটি ব্যাংকের ব্রাঞ্চ- তারেক রহমান

, ,

নিজস্ব প্রতিনিধি

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মসজিদের নগরী ঢাকাকে বর্তমান সরকার ক্যাসিনোর নগরীতে পরিণত করেছে। আওয়ামী লীগের নেতাদের হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির চিত্র এতটাই ভয়াবহ যে, আওয়ামী লীগ নেতাদের পকেটই এখন বিভিন্ন ব্যাংকের একেকটি ব্রাঞ্চ।

শনিবার (১৪ই মে) দিনাজপুর ইনস্টিটিউট মাঠ প্রাঙ্গণে দিনাজপুর জেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশে আজ ৪০ লাখেরও বেশি নেতাকর্মী নির্যাতিত ও মামলায় জর্জরিত। এই কাউন্সিলে উপস্থিত প্রত্যেকর নামে অন্তত একটি করে মামলা রয়েছে। এইসব মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে দলের পক্ষ থেকে ডাক আসলেই সবাইকে একযোগে রাজপথে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

তারেক রহমান রাজপথে আন্দোলনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘বাংলাদেশ যাবে কোন পথে, ফায়সালা হবে রাজপথে।’ শেষে তিনি মাফিয়ামুক্ত বাংলাদেশে ফেরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

দিনাজপুর জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক রেজিনা ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু প্রমুখ।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, হাসিনার বদলে কেয়ারটেকার, ইভিএমের বদলে ব্যালট পেপারে ভোট নিতে হবে। এ দাবিতে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তীব্র গণ-আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সেইসাথে একটি মিথ্যা, বায়োবিও মামলায় কারারুদ্ধ ৩ বারের সাবেক নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এ দেশের গণতন্ত্রের প্রতীক বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। দেশনেতা তারেক রহমানকে বীরের বেশে দেশে প্রত্যাবর্তন করাতে হবে।

সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব আরো বলেন, যে নেতারা হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করে পাচার করেছেন তাদের আওয়ামী লীগে জায়গা হবে না– আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এ মন্তব্যই প্রমাণ করে আওয়ামী লীগ লুটেরা দুর্নীতিবাজের দল। আজ তাদের দুর্নীতির সীমা এতটাই বেড়ে গেছে যে, র‍্যাবের মতো একটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র স্থগিতাদেশ দিতে বাধ্য হয়েছে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে এদেশের গণতন্ত্র আবার ফিরি আসবে। এ সরকারকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। একইসাথে নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন করতে হবে। দেশের জনগণ এখন বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। এজন্য দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এ সরকারকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করতে হবে।

 

Leave a Reply