সংবাদ শিরোনাম

আরও সংবাদ

12 Comments

  1. 1

    The Patriot

    ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামরত স্বাধীনতা যুদ্ধের সৈনিক, আমার প্রিয় দেশপ্রেমিক, তরুণ-যুবক সন্তান-সন্ততিদের জ্ঞ্যাতার্থেঃ ফ্যাসিবাদিরা বুঝে গেছে এদেশের মানুষকে কি ভাবে ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে রাখা যায়!! প্রথমে লাগামহীন ভাবে দেশের অর্থ-সম্পদ লুটপাট করেছে, তারপর সেই অর্থ ব্যবহার করে সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণের যায়গাগুলোতে দেশপ্রেমিক, যোগ্য লোকজনকে সরিয়ে দলিয় অশিক্ষিত, সম্পুর্ণ অযোগ্য, গুন্ডা বাহিনীর লোকজনকে বসিয়েছে। অস্বাভাবিক রকম আর্থিক সুবিধা দিয়ে ঐসকল লোকজনকে ধিরে ধিরে এমন অবস্থায় নিয়ে গেছে যেন আর ফিরে আসতে না পারে – অতিরিক্ত সুবিধাভোগী পশুগুলোই এখন মরনপণ হয়ে সকল অত্যাচার, অনাচার, খুন, গুম করে পুরা দেশের মানুষকে জিম্মি করে ফেলেছে। ওদের প্রাণপণ প্রচেষ্টা হছে মানুষকে ঘর থেকে বের হতে না দেয়া! এতে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান জড়িত – কারণ ওখানে তো কোনো সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ অবশিষ্ট নেই! হয় মেরে ফেলেছে নাহয় গুম করেছে নয়তো ভয় ভিতি দেখিয়ে ওএসডি করে রেখেছে। ওদের এই সফলতার পিছনের কারিগর হলো ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী। ওরা সফল হয়েছে, ভিষণ ভাবে সফল হয়েছে এদেশের মানুষকে ভয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত করে হাত-পা গুটিয়ে ঘরের ভিতরে ঢুকিয়ে, অঘোষিত ভাবে বন্দী করে রাখতে! এই অবস্থা থেকে দেশকে মুক্ত করতে হলে জিহাদ বা পুর্নাঙ্গ আরেকটি মুক্তি যুদ্ধ ছাড়া কোনো উপায় নেই! অতএব, অত্যন্ত সুচিন্তিত, সুপরিকল্পিত এবং সংঘবদ্ধভাবে সামনে আগাতে হবে। দেশব্যাপি ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই!! সকল পেশা, শ্রেণির আপামর জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে, যার যা কিছু আছে লাঠিসোঁটা তাই নিয়ে একযোগে, একসাথে রাস্তায় নেমে বসে পড়তে হবে! হামলা হলে চুড়ান্ত ভাবে প্রতিহত করতে হবে। সকল থানা, ফাড়ি ঘেরাও করে নিষ্ক্রিয় করতে হবে – তাহলেই শুধু সম্ভব হবে এদেশকে দেশদ্রোহী এসব নরপশুদের হাত থেকে রক্ষা করা। তোমরা এটা (Sit-in) করতে পারলে, ব্যারাক ভেঙে দেশপ্রেমিক সকল সেনা-পুলিশ সদস্যরা তোমাদের পাশে এসে দাড়াবে!! – এতে কোনো সন্দেহ নেই!! বিদেশে বসে এই গুঞ্জনটা আমরা জোড়ালো ভাবেই শুনতে পাচ্ছি! আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা তোমাদের সহায় হোন এবং চুড়ান্ত বিজয় দান করুন – আমিন।

    Reply
  2. 2

    Sword of Sovereignty

    আপনার উদ্যোগকে স্বাগত জানাই, তবে বছর দু বছর কেন অপেক্ষা করা? এখনই জাতির প্রাণ ” ফা লাওলা ইযা বালাগ’তিল হুলক্বুম” (সুরা ওয়াক্বেয়া, শেষ রুকু পড়ুন) অবস্থায়। জাতির হচ্ছে “সাকরাত-এ-মওত”। দু বছর সাকরাত কারো হওয়া লাগে না। আমরা এই দু’চার মাসেই মরে যাব। তারপর আপনি আসবেন!
    কোনো লাভ নেই।
    তার চেয়ে মেজর (অবঃ) দেলওয়ার সাহেবকে এখনই ডাকুন, মাহমুদুর রহমান, ডঃ কণক সারওয়ার, ইলিয়াস হোসাইন, কাজী শামীম আহসান, পিণাকী ভট্টাচার্য-সহ সমস্থ প্রবাসী দেশ প্রেমিকদের একত্রে নিয়ে Zoom meeting করুন। প্রত্যেকের কাছ থেকে পরামর্শ নিন।
    #মেজর দেলওয়ারকে দিয়ে সেনাবাহিনীর দেশপ্রেমিক সদস্যদেরকে প্রস্তুত করুন।
    # অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদেরকে দিয়ে গ্রামাগ্রামে মুক্তিকামি জোয়ানদের প্রশিক্ষণ এর ব্যবস্থা করুন৷
    # কাজী শামীমকে দিয়ে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ কে একত্রিত করুন এবং প্রয়োজনীয় অস্ত্রের ব্যবস্থা করুন, বৈদেশিক কুটনৈতিক কাজে তার অসামান্য বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগান।
    # উল্লেখিত সাংবাদিকদেরকে মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহার করুন। বিশাল কাজ দেবে।
    # জনতাকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিটি থানা ঘেরাও করার জন্য তৈরি করুন।
    # দালাল পুলিশ সদস্য তথা ‘র এর এজেন্টদের চিহ্নিত করে তাদের প্রত্যেকের পরিবারকে জিম্মি করার জন্য একদল সাহসী বাহিনী তৈরি করুন।
    # থানা কম্পাউন্ডের বাইরে থাকা পুলিশ সদস্যদের প্রত্যেকটি পরিবারকে জিম্মি করার ব্যবস্থা করুন।
    #মিল কারখানার শ্রমিকদেরকে কাজ বন্ধ করে দিতে বলুন।
    #সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদেরকে কর্ম বিরিতি না দিলে তাদের পরিবারকে জিম্মি করতে হবে।
    ### সর্বশেষ অস্ত্র হিসেবে পুলিশ, সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের সন্তানকে ধরে এনে আন্দোলনকারীদের সম্মুখ সারিতে রেখে মিছিল মিটিং করার ব্যবস্থা করুন। হামলা করলে সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকি দিন।
    # প্রত্যেক সরকারি তাবেদার এর বাড়ি অফিসে ভীতি সঞ্চারক লিফলেট বিলির ব্যবস্থা করুন।
    &&&
    দেশপ্রেমিক সেনা সদস্যদের বিশাল একটা দলকে বঙ্গভবন গণভবন ঘেরাও এর জন্য তৈরি কোরুন।
    বিডিআরকে( bgb নয়) সীমান্ত সুরক্ষার নির্দেশ দিয়ে প্রয়োজনে সাহসী সেনা প্লাটুনকে তাদের সাথে সংযুক্ত করুন।
    পথে পথে পাহারার ব্যবস্থা রাখুন, যেন এক থানার বাহিনী অন্য থানায় যেতে না পারে।
    পুলিশ সেনা র‍্যাব এবং অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদেরকে জনতার কাতারে এসে যোগ দিয়ে একসাথে কাজ করার জন্য আগাম নির্দেশনা দিয়ে রাখুন।
    আমরা প্রস্তুত আছি আমাদের প্রাণকে হাতে নিয়ে একটা মাত্র ডাকের অপেক্ষায়।
    না হয় খালি খালি জীবন বিলিয়ে দিয়ে কী লাভ।
    জীবনভর আশা, মরতে যদি হয়ই তবে একটা দেশদ্রোহীকেও না হয় হত্যা করে তবে মরব।
    ইন শা আল্লাহ।
    আপনাদের নির্দেশ এর অপেক্ষায় রইলাম।
    ফী আমানিল্লাহ!

    Reply
  3. 3

    Prof. M A Bashar

    ধন্যবাদ প্রফেসর তাজ হাশমিকে দুঃসাহসী প্রাজ্ঞ সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য। আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন। বাংলাদেশে রাজনীতির গুনগত পরিবর্তনের জন্য নতুন উদ্যোগ সময়ের দাবি। আমাদের বিদ্যমান রাজনৈতিক দল গুলো নিজেদের পরিবর্তনের পরিবর্তে পশ্চাদপদতা, অসুরীয় দানবীয় পথে হাঁটছে জনগণের আকাঙ্খার বিপরীতে। বিদ্যমান রাজনৈতিক দল গুলুতে প্রকৃত দেশ প্রেমিক রাজনৈতিক চরিত্রের পরিবর্তে বেনিয়া, দুষ্টচক্রের পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছেন। অনেকে বয়সের ভারে ন্যুজ। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে প্রত্যাশার আলোকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ। একটি দলের দুর্নীতিকে বদলাতে গিয়ে আরেকটি রাজনৈতিক দল আরো বেপরোয়া দুর্নীতি ও অপশাসনে জাতিকে পদদলিত করেছে। মানবাধিকার, গণতন্ত্রের প্রতিশ্রুতি নিয়ে যে দেশের জন্ম, সেখানে নাগরিকরা আর বসবাসের জন্য নিরাপদ নয়. নির্যাতন, নিপীড়ন, দুর্নীতি, ধর্ষণ, হানা হানি আজ সমাজকে বিভক্তির প্রান্তিকতায় নিয়ে গেছে। জাতির এমন ক্রান্তি লগ্নে, আমাদের রাজনীতি, সংবিধানের নতুন বিন্যাস খুব প্রয়োজন। করোনা মহামারী আমাদের আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে আমাদের দুর্বল স্থান গুলো। এখন দরকার জাতির জন্য শৈলী চিকিৎসা। আমাদের তরুণরা বাংলাদেশকে নিয়ে যেতে পারে অপার সম্ভাবনার দ্বার প্রান্তে। বাংলাদেশ এশিয়ায় অর্থনীতির নতুন শার্দুল হবার সম্বাভনা প্রচন্ড। দুর্নীতিমুক্ত তরুণদের হাতে তুলে দিতে হবে সুশাসনের দায়িত্ব। বয়োজ্যেষ্ঠদের দিতে হবে প্রেরণা ও সমর্থন। অধ্যাপক তাজহাশমির যুগান্তরকারী আহ্বানের সাথে আমি ব্যক্তিগতভাবে সংহতি জানাই। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার সুজুগ হাত ছাড়া করলে, সামনে অপূরণীয় ক্ষতির তীরে উপনীত হবে সম্ভাবনার বাংলাদেশ। আমি বিনীত ভাবে উদাত্ত আহবান জানাই বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সহ সকল প্রবীণ রাজনীতিবিদ বিষয়টি ইতিবাচক ভাবে বিবেচনা করবেন। কোন বেক্তি বিদ্বেষ বা প্রতিশোধ নয়, আমাদের ভুলগুলো থেকে আমরা শিক্ষা নেই। ১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৯১ সালে জাতির প্রয়োজনে আমরা যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলাম, দেশের এই সংকটকালে জাতির স্বার্থে নতুন করে ইস্পাত দৃঢ়চিত্তে আমরা দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হই । সমগ্র তরুণ প্রজন্মকে উন্মুক্ত হৃদয় নিয়ে বাংলাদেশের পতাকা বুকে ধারণ করে এগিয়ে আসার আহবান জানাই।

    Reply
  4. 4

    তাজ হাশমী

    আমি কোন নতুন রাজনৈতিক দলের সূত্রপাত করছি না।

    আমি নির্ভীক, দেশপ্রেমিক আমার দেশ পত্রিকাকে আমার “বাংলাদেশ গণমুক্তি আন্দোলন”-এর প্রচার পত্র প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। প্রথমেই আমি একটা জিনিস খোলাসা করতে চাই যে আমার এই আন্দোলন, দেশপ্রেমিক সকল দল ও ব্যক্তিকে এক প্লাটফর্ম একতাবদ্ধ হবার এক প্রয়াস মাত্র, এটা কোন নতুন রাজনৈতিক দলের সূত্রপাত নয়।

    আপনারা আমার এ আন্দোলনে যোগদান করুন। ধন্যবাদ!

    Reply
    1. 4.1

      Pinaki

      When and how please let us know. We are waiting to start the war.

      Reply
  5. 5

    তাজ হাশমী

    বাংলাদেশ গণমুক্তি আন্দোলন নিয়ে দুটো কথা

    তাজ হাশমী
    আহ্বায়ক, বাংলাদেশ গণমুক্তি আন্দোলন
    ১৬ অক্টোবর ২০২০

    আমি দেশে ও বিদেশে অবস্থান রত দেশী ভাইবোনদের মোটামুটি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাচ্ছি। আমি বাংলাদেশে যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের যাতাকলে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতিত হচ্ছেন, আর “উন্নয়নের জোয়ারে” প্রায় ভেসে বা ডুবে যাচছেন, তাদের এই মূহুর্তে কি করণীয় তা নিয়ে কিছু বলছি।

    ১) প্রথমত, আপনারা সবাইকে একটা “গুজবের মত মুখরোচক” খবর হিসাবে জানাবেন যে সুদূর কানাডা, আমেরিকা, ইউরোপে, ও অস্ট্রেলিয়ায় ও অন্যত্র বসে আপনাদের কিছু ভাইবোন বাংলাদেশে ভারত-পুষ্ট ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসানের পরিকল্পনা করছেন।

    ২) সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে অতীতেও বিদেশে বসে বহু বিপ্লবী দেশপ্রেমিক বিভিন্ন দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করে সফলতা অর্জন করেছেন। আমি দুয়েকটা উদাহরণ দিচ্ছি: ক) ১৯১৫-১৬ সালে কানাডার ভ্যানকুভারে বসে কিছু দেশপ্রেমিক হিন্দু-মুসলমান-শিখ যুবক ও মধ্যবয়সী সাহসী দেশপ্রেমিক গোপনে ভারতে বোমা-বন্দুক পাঠিয়ে বৃটিশদের হাত থেকে দেশ স্বাধীনের এক মহা পরিকল্পনা করেছিলেন। ইতিহাসে তা “গদর আন্দোলন” নামে পরিচিত। এই আন্দোলন সফল না হলেও ১৯৪৭এর স্বাধীনতা পাওয়ার পেছনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    খ) ১৯৪০ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু জার্মানি, জাপান, সিংগাপুর, থাইল্যান্ড ও বার্মায় ভারত স্বাধীন করার জন্য আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করেন। ১৯৪৫ সালে জার্মানি ও জাপানের দ্বিতীয় মহা যুদ্ধে পরাজয় ঘটায় সুভাষ বসুর পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। তবে এক বছর পরেই ১৯৪৬ সালের শুরুতে বোমবাইয়ে আজাদ হিন্দ ফৌজের পথ ধরে বৃটিশ ভারতীয় নৌবাহিনীর ভারতীয় নৌসেনারা সশস্ত্র বিদ্রোহ করে। এই বিদ্রোহের পরদিনই বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী কলেমেনট এটলি অচিরেই বৃটিশ সরকার ভারতকে স্বাধীনতা দেবে বলে ঘোষণা করেন।

    গ) যারা বিদেশে বসে বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট সরকারকে উৎখাত করা এক অবাস্তব পরিকল্পনা মনে করেন, তাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধও মূলত বিদেশের মাটিতেই (ভারতে) মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের দেশপ্রেমিকরা সংহত করেন।

    ৩) আপনারা যারা দেশে আছেন তারা ঘরে ঘরে, পাড়ায় পাড়ায়, মহল্লায় মহল্লায়, বাংলাদেশ গণমুক্তি আন্দোলনের শাখা গঠন করুন। সরকার বিরোধী সমন্বিত স্লোগান (বিশেষ করে গভীর রাতে),মিছিল, পথসভা, মশাল মিছিল দিয়ে শুরু করলে দুতিন মাসের ভিতর সারাদেশে আন্দোলনের জোয়ার বইয়ে দেয়া কোন ব্যাপারই না। আজকে এই সেল ফোন, মেসেনজার আর ইন্টারনেটের যুগে দশ মিনিটের ভিতর সারা দেশের মানুষকে আন্দোলনের প্রোগ্রাম জানানো সম্ভব, যেটা অতীতে কখনও সম্ভব ছিল না। জনতা একবার জাগলে হাসিনা সরকারের মুখ থুবড়ে পড়ে যাওয়া কেবল সময়ের ব্যাপার।

    ভালকথা, বাংলাদেশ গণমুক্তি আন্দোলন কোন নতুন রাজনৈতিক দল নয়, এটা একটা একতা ভিত্তিক রাজনৈতিক আন্দোলন। আর আপনারা জানেন সেই এক দফা হল: হাসিনার অবৈধ সরকারের মূলোতপাটন।

    বিএনপি সহ সকল দেশপ্রেমিক বাংলাদেশী দলকে আমি এ আন্দোলন সমর্থন করার আহবান জানাচ্ছি। দেশের গণমানুষের কথা চিন্তা করে এ আন্দোলনে যোগ দিন। এ আন্দোলন স্বাধীনতাকামী সকল বাংলাদেশীদের আনদোলন।

    আবার আপনাদের সাথে যোগাযোগ করব। বিজয় আমাদের অবধারিত।

    Reply
  6. 6

    কালাম মীর

    গণআন্দোলনের জোয়ার সৃষ্টি করতে গণসংগীতের ভূমিকা অনস্বীকার্য! বাংলাদেশের স্বৈরাচার মুক্তি আন্দোলনে আমার (এখনকার মত) এই সামান্য অবদান যদি কাজে লাগে তবে নিজেকে ধন্য ভাববো! সকল কন্ঠে – এক আওয়াজ এক ডাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক!

    ।। জনতার ঢল ।।
    আয় ধীরে ধীরে, জনতার ভিড়ে –
    যত বঞ্চিত, মজলুম, হতভাগা!
    ছোট ছোট দল মিলে হবে ঢল
    এখনি সময় সকল অনিয়ম ভাঙ্গার।
    ছিঁড়ে দে ফাঁদের সূক্ষ জাল
    ভোটের বাক্সে প্রতিবাদ ঢাল
    অন্তরে সবাই সত্যের শক্তি জাগা।
    লেজুড় হওয়ার লজ্জা বড়
    মানুষ হয়ে বাঁচার সুখ বেশি
    স্বপ্নের ধোঁয়াজালে বুঝিস না রে
    নিজের দেশেই হয়ে আছিস ভিনদেশী।
    তন্ন তন্ন করে খুঁজে নে –
    মিথ্যা বুলির মুখ বুঁজে দে!
    হৃদয়ে তোর ছিন্ন বাগান
    ঝরা ফুল সব কর কামান –
    অসত্যের দিকে তাক করে দাগা।।
    (কপিরাইট© ড. কালাম মীর ২০২০, ফেসবুক)
    বাংলাদেশি যে কেহ সুর দিতে, গাইতে, ও প্রকাশ করতে পারেন!

    ।। একটু একটু করে ।।
    একটু একটু করে আগা –
    কাঁধে কাঁধ লাগা।
    ওরে, ও দামাল, সামাল!
    তোরা সামনে আগা।
    গেছে দেয়ালে পিঠ ঠেকে
    অপমানে গেছে বুক ঢেকে!
    শয়তানের চোখে চোখ রেখে –
    দে জবানের ঘা।
    ফিরিবার নাই কোন পথ
    ওরে, তোরা নে শপথ –
    জালিমের নিপাত করিবই
    তাতে লাগে যা।।
    (কপিরাইট© ড. কালাম মীর ২০২০, ফেসবুক)
    বাংলাদেশি যে কেহ সুর দিতে, গাইতে, ও প্রকাশ করতে পারেন!

    ।। বলে দে ।।
    বলে দে, যে যা জানিস –
    সময় এখন সত্য কথা বলার!
    মুখোশধারী, মিথ্যাচারী মানুষগুলোর
    আসল সরূপ খোলার!
    দে রে দে, লিখে দে –
    লয়ে একটা কলম হাতে!
    সবাই জানুক, সবাই মানুক –
    দিবালোকে সব দেখা যায় – আঁধার থাকে রাতে।
    যা ঘটেছে তা রটেছে –
    সময় এখন সব খুলে বলার।
    মানুষখেকো রাজা-রানি প্রজাখেকো উজির
    এদের বিদায় দেবার সময় এখন হাজির!
    গণতন্ত্রের নামে যখন রাজতন্ত্র চলে
    দেশের সকল আলো নিভে -শুধু বংশবাতি জ্বলে!
    দে রে দে, বলে দে –
    সময় এখন খোদা হাফেজ বলার।।
    (কপিরাইট© ড. কালাম মীর ২০২০, ফেসবুক)
    বাংলাদেশি যে কেহ সুর দিতে, গাইতে, ও প্রকাশ করতে পারেন!

    ।। ভালবাসার আগুন জ্বালাও ।।
    ভাইয়ের হাতে ছুরি, বোনের হাতে বিষ
    বাবার চোখের ঘুম গেছে, মায়ের মমতা ক্লিশ্!
    কত দেখিব আর এই হৃদয়হীন কারবার –
    ভালবাসার আগুন জ্বালাও, পুড়ে কর সব ছারখার!
    অধর্ম সব করছ মানুষ দোষ তোমরা ধর্মকে
    ধর্ম কোথায় সাপোর্ট করে এ সকল কুকর্মকে?
    ধর্মকে দোষ তারাই যারা সুযোগ খোঁজ ধর্মহীনতার!
    সন্দেহ করিও না আপন পরিচয় –
    বাংলাদেশের জন্ম কারো দয়ার দান নয়!
    দ্বিধা-দ্বন্দ্ব সৃষ্টিকারী গভীর জলের মাছ –
    বন্ধুর হাসি মেখে থাকে কাছ কাছ।
    বাংলাদেশী জাতি তর্কে বিশ্বাস নড়বড়
    সংস্কৃতির ধোঁয়ায় ওঠে চায়ের কাপে ঝড়।
    আর এসব কিছুর ছায়া পড়ে সমাজে বারবার
    বক্রহাসি শত্রু মুখে কেবল অশ্রু চোখে মার!
    কত দেখিব আর এই হৃদয়হীন কারবার –
    ভালবাসার আগুন জ্বালাও, পুড়ে কর সব ছারখার।।
    (কপিরাইট© ড. কালাম মীর ২০২০, ফেসবুক)
    বাংলাদেশি যে কেহ সুর দিতে, গাইতে, ও প্রকাশ করতে পারেন!

    ।। বাংলাদেশ ।।
    বাংলাদেশ, ও বাংলাদেশ!
    আমার মাতৃভূমি, আমার জন্মভূমি –
    আমার স্বদেশ!
    তব বুকে সবুজের সমারোহ –
    জুড়ায় দু’চোখ, জুড়ায় দেহ!
    বরষার গানে আসে নির্মল বাতাস
    শরতে দেখি কী সুনীল আকাশ
    দিনের পরে রাতে আসে শীতের রেশ!
    আমরা তোমার প্রতিটি নাগরিক –
    চির জাগ্রত সীমান্ত সৈনিক!
    প্রয়োজনে করিব জীবন দান –
    রাখিব পতাকা চির অম্লান!
    আমরা রুধিব যে কোন শত্রু
    যে কোন বিপদে থাকিব পাশে –
    থাকিতে একটি রক্তবিন্দু অবশেষ।।
    (কপিরাইট© ড. কালাম মীর ২০২০, ফেসবুক)
    বাংলাদেশি যে কেহ সুর দিতে, গাইতে, ও প্রকাশ করতে পারেন!

    Reply
    1. 6.1

      Sword of Sovereignty

      আপনার শেষ গানটা জাতীয় সঙ্গীত হবার দাবি রাখে যেন।

      Reply
      1. 6.1.1

        কালাম মীর

        ধন্যবাদ! আমাদের এই সময়ের প্রথম প্রায়রিটি “স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশ”! আপনার সুচিন্তিত মন্তব্য (#২) প্রণিধানযোগ্য! একটা ধুরন্ধর বহুমাত্রিক যড়যন্ত্রে সমর্থিত সাপকে কাবু করতে হলে বহুমাত্রিক পরিকল্পনায় সুসমন্বিত আক্রমনের বিকল্প নাই! শুভ কামনা!

        Reply
  7. 7

    nick-name

    আমরা-আছি-আপনাদের-সাথে
    জিবন-নিয়ে-হাতে,

    Reply
  8. 8

    এনাম চৌধুরী

    হাউ ফানি! শেখ হাসিনা কে আহ্বান জানান!!

    Reply
  9. 9

    Pinaki

    1. Take every necessary action so that international humanitarian organizations recognize Bangladesh police as a Terror organization.
    2. Create pressure on UN so that they exclude Bangladesh army and police from peace keeping mission until and unless democracy is restored in Bangladesh.

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

© স্বত্ব আমার দেশ ২০০৮ – ২০২০