সংবাদ শিরোনামগুলো
>>ডাকাত বা লুটেরারা বদমাইশ কিন্তু তাদের সর্দারনী নিষ্পাপ!>>শেখ হাসিনাও সৌজন্য শেখাচ্ছেন!>>শেখ হাসিনাকে ক্ষমা চাইতে বললেন মির্জা ফখরুল>>৪ মানবাধিকার সংগঠনের যৌথ বিবৃতি: গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিন>>বিতর্কিত গণকমিশন ও ঘাদানিকের সাথে জড়িতদের আয়ের উৎস খুঁজতে দুদকে স্মারকলিপি>>লুটেরাদের ডলার লুটে টাকার মান কমল আরেক দফা>>আলেমদের বিরুদ্ধে তথাকথিত কমিশনের শ্বেতপত্র রাষ্ট্রদ্রোহিতা- সর্বদলীয় ওলামা ইউকে>>আওয়ামী লুটেরাদের ডলার লুট>>শেখ হাসিনার অধিনে কেউ ভোটে যাওয়ার চিন্তা করলে ভুল করবে-শামসুজ্জামান দুদু>>অবশেষে গডফাদার খ্যাত হাজী সেলিম কারাগারে: কতটা দ্রুততায় জামিন মঞ্জুর হয় সেটাই দেখার বিষয়

প্রতারণা ও টাকা পাচারের অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল হারুণসহ ডেসটিনির ৪৬ জনের কারাদণ্ড

, ,

নিজস্ব প্রতিনিধি

প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের অর্থ আত্মসাৎ বিদেশে পাচারের অভিযোগে ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনা প্রধান ও সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের তথাকথিত নেতা হারুণ অর-রশিদ এবং প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীন সহ ৪৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১২ই মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় দেন। রায়ে ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদের ৪ বছর ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনের ১২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া এই মামলায় পলাতক আসামি জসিম উদ্দিন ভূঁইয়াকে ১০ বছর এবং মামলার বাকি ৪৩ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির নামে প্রতারণার মাধ্যমে জনগণের নিকট থেকে টাকা গ্রহণ এবং ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের নামে মানুষের নিকট থেকে টাকা উঠিয়ে আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই তাদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা হয়েছিল।

রাজধানীর কলাবাগান থানায় এ মামলা করা হয়। দুই মামলায় মোট ৪ হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

দুই বছর তদন্তের পর ২০১৪ সালের ৪ মে একটি মামলায় (ট্রি প্ল্যান্টেশন) ১৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অপর মামলায় (মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি) ৪৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

দুই মামলায় মোট আসামির সংখ্যা ৫৩। রফিকুলসহ ১২ জনের নাম দুটি মামলাতেই রয়েছে।

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির অর্থ আত্মসাৎ পাচারের মামলায় এম হারুন-অর-রশীদ, মোহাম্মদ হোসেন ও রফিকুল আমিন ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন- মোহাম্মদ গোফরানুল হক, মোহাম্মদ সাঈদ উর-রহমান, মেজবাহ উদ্দিন, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ইরফান আহমেদ, ফারাহ দিবা, জামসেদ আরা চৌধুরী, শেখ তৈয়েবুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, আজাদ রহমান, আকবর হোসেন, মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, সাইদুল ইসলাম খান, সুমন আলী খান, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মজিবুর রহমান, দিদারুল আলম, এম হায়দার উজ্জামান, জয়নাল আবেদীন, কাজী মো. ফজলুল করিম, মোল্লা আল আমীন, শফিউল ইসলাম, জিয়াউল হক মোল্লা, সিকদার কবিরুল ইসলাম, ফিরোজ আলম, ওমর ফারুক, সুনীল বরণ কর্মকার, ফরিদ আকতার, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, আবদুর রহমান, সাকিবুজ্জামান, এস এম আহসানুল কবির, এ এইচ এম আতাউর রহমান, জি এম গোলাম কিবরিয়া, আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমদ, এ কে এম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, দেলোয়ার হোসেন, জেসমিন আক্তার ও শফিকুল হক।

উল্লেখ্য, এমএলএম পদ্ধতির মাধ্যমে ডেসটিনি মানুষের নিকট থেকে টাকা উঠিয়েছিল। মোটা অংকের লাভের লোভ দেখিয়ে মানুষের নিকট থেকে বিনিয়োগ নিয়েছিল ডেসটিনি। সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল হারুন-অর-রশিদের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছিল এই প্রতারণার ব্যবসা।

 

Leave a Reply