সংবাদ শিরোনামগুলো
>>ডাকাত বা লুটেরারা বদমাইশ কিন্তু তাদের সর্দারনী নিষ্পাপ!>>শেখ হাসিনাও সৌজন্য শেখাচ্ছেন!>>শেখ হাসিনাকে ক্ষমা চাইতে বললেন মির্জা ফখরুল>>৪ মানবাধিকার সংগঠনের যৌথ বিবৃতি: গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিন>>বিতর্কিত গণকমিশন ও ঘাদানিকের সাথে জড়িতদের আয়ের উৎস খুঁজতে দুদকে স্মারকলিপি>>লুটেরাদের ডলার লুটে টাকার মান কমল আরেক দফা>>আলেমদের বিরুদ্ধে তথাকথিত কমিশনের শ্বেতপত্র রাষ্ট্রদ্রোহিতা- সর্বদলীয় ওলামা ইউকে>>আওয়ামী লুটেরাদের ডলার লুট>>শেখ হাসিনার অধিনে কেউ ভোটে যাওয়ার চিন্তা করলে ভুল করবে-শামসুজ্জামান দুদু>>অবশেষে গডফাদার খ্যাত হাজী সেলিম কারাগারে: কতটা দ্রুততায় জামিন মঞ্জুর হয় সেটাই দেখার বিষয়

বাংলাদেশের টাকায় ভারতে সম্পদের পাহাড়: গ্রেফতার হয়েছেন পিকে হালদার

, ,

নিজস্ব প্রতিনিধি

পিকে হালদার দেশের টাকা প্রতারণার মাধ্যমে লুটে নিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছিলেন কানাডা ও ভারতে। তাকে গ্রেফতারের পর প্রশ্ন উঠেছে লুটে নেওয়া টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে। দেশের টাকা লুটে ভারতে কিভাবে পাচার করলেন সেটা নিয়ে রয়েছে নানান প্রশ্ন। বিশেষ একটি সম্প্রাদায়ের লোকেরা দেশে আয় করে ভারতে সম্পদ কিনেন বলে যে তথ্য জনগণের মুখে মুখে পিকে হালদার সেটা বাস্তবে প্রমান করে দিয়েছেন।

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন প্রশান্ত কুমার হালদার (পিকে হালদার)। এই সুযোগে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যাংকের কোটি কোটি টাকা লুটে নিয়েছেন তিনি। তাঁর কানাডায় সম্পদের পাহাড় নিয়ে মিডিয়ায় অনেক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর আওয়ামী দুদক তদন্তে নেমেছিল। আওয়ামী দুদকের তদন্তে কানাডায় ৮০ কোটি টাকার সন্ধান পাওয়া গেলে মামলা করা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। কিন্তু পিকে হালদার স্ত্রী-পরিজন নিয়ে আগেই পাড়ি জমিয়েছিলেন বিদেশে।

ইন্ডিয়ায় অবৈধ সম্পদের অভিযোগ অনুসন্ধানে নামে দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তাদের অনুসন্ধান ও বিভিন্ন জায়গায় অভিযানে বের হয়ে আসে পিকে হালদারদের সম্পদের পাহাড়।

শনিবার তাকে গ্রেফতারের খবর দিয়েছে ভারতীয় পুলিশ। দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা জানায়, শনিবার সকালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে শনিবার পিকে হালদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের সন্ধানে ভারতের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইনফর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ও দুদকের অনুরোধে ভারতে এ অভিযান চালানো হয় বলে দাবী করা হচ্ছে।

শুক্রবার (১৩ মে) পশ্চিমবঙ্গের অন্তত ৯টি স্থানে একযোগে অভিযান চালিয়েছে ভারতের অর্থ-সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি)। তারা কয়েকটি অভিজাত বাড়িসহ বিপুল সম্পত্তির খোঁজ পেয়েছেন। বাড়িগুলো থেকে জমির দলিলসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক নথি উদ্ধার করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে পিকে হালদারের ২০ থেকে ২২টি বাড়ি আছে বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে।

পিকে হালদারের আয়কর আইনজীবী ছিলেন সুকুমার মৃধা। পিকে হালদারের সঙ্গে যোগসাজশে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সুকুমার মৃধাকে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দুই মামলায় আসামি করা হয়েছে। দুদক তাকে গ্রেপ্তার করেছে। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।

কলকাতা থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোকনগর পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে সুকুমার মৃধার বিশাল বিলাসী বাড়ির সন্ধান পেয়েছে ভারতের ইডি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মৃধাকে তারা মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে চিনতেন।

পিকে হালদার ও সুকুমার মৃধা অশোকনগরে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী।

ইডি ধারণা করছে, এই দু’জনের দীর্ঘদিনের যোগসাজশে এনআরবির বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।

 

Leave a Reply