সংবাদ শিরোনাম

আরও সংবাদ

10 Comments

  1. 1

    salman

    ALEM ra e amad’er Sesh VOROSHA. Allah apna der BEJOYE korun….ameen

    Reply
  2. 2

    কালাম মীর

    আলহামদুলিল্লাহ! আলহামদুলিল্লাহ! আলেম সমাজ স্বোচ্চার হচ্ছেন! বিশ্বাস করি, তাঁদের ঈমানী শক্তিতে বাংলাদেশকে অসভ্যতার অন্ধকারে তলিয়ে যাবার হাত থেকে রক্ষা করবেন। আমীন!!

    Reply
  3. 3

    The Patriot

    ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামরত স্বাধীনতা যুদ্ধের সৈনিক, আমার প্রিয় দেশপ্রেমিক, তরুণ-যুবক সন্তান-সন্ততিদের জ্ঞ্যাতার্থেঃ ফ্যাসিবাদিরা বুঝে গেছে এদেশের মানুষকে কি ভাবে ঘরের মধ্যে ঢুকিয়ে রাখা যায়!! প্রথমে লাগামহীন ভাবে দেশের অর্থ-সম্পদ লুটপাট করেছে, তারপর সেই অর্থ ব্যবহার করে সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণের যায়গাগুলোতে দেশপ্রেমিক, যোগ্য লোকজনকে সরিয়ে দলিয় অশিক্ষিত, সম্পুর্ণ অযোগ্য, গুন্ডা বাহিনীর লোকজনকে বসিয়েছে। অস্বাভাবিক রকম আর্থিক সুবিধা দিয়ে ঐসকল লোকজনকে ধিরে ধিরে এমন অবস্থায় নিয়ে গেছে যেন আর ফিরে আসতে না পারে – অতিরিক্ত সুবিধাভোগী পশুগুলোই এখন মরনপণ হয়ে সকল অত্যাচার, অনাচার, খুন, গুম করে পুরা দেশের মানুষকে জিম্মি করে ফেলেছে। ওদের প্রাণপণ প্রচেষ্টা হছে মানুষকে ঘর থেকে বের হতে না দেয়া! এতে রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান জড়িত – কারণ ওখানে তো কোনো সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ অবশিষ্ট নেই! হয় মেরে ফেলেছে নাহয় গুম করেছে নয়তো ভয় ভিতি দেখিয়ে ওএসডি করে রেখেছে। ওদের এই সফলতার পিছনের কারিগর হলো ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী। ওরা সফল হয়েছে, ভিষণ ভাবে সফল হয়েছে এদেশের মানুষকে ভয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত করে হাত-পা গুটিয়ে ঘরের ভিতরে ঢুকিয়ে, অঘোষিত ভাবে বন্দী করে রাখতে! এই অবস্থা থেকে দেশকে মুক্ত করতে হলে জিহাদ বা পুর্নাঙ্গ আরেকটি মুক্তি যুদ্ধ ছাড়া কোনো উপায় নেই! অতএব, অত্যন্ত সুচিন্তিত, সুপরিকল্পিত এবং সংঘবদ্ধভাবে সামনে আগাতে হবে। দেশব্যাপি ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই!! সকল পেশা, শ্রেণির আপামর জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে, যার যা কিছু আছে লাঠিসোঁটা তাই নিয়ে একযোগে, একসাথে রাস্তায় নেমে বসে পড়তে হবে! হামলা হলে চুড়ান্ত ভাবে প্রতিহত করতে হবে। সকল থানা, ফাড়ি ঘেরাও করে নিষ্ক্রিয় করতে হবে – তাহলেই শুধু সম্ভব হবে এদেশকে দেশদ্রোহী এসব নরপশুদের হাত থেকে রক্ষা করা। তোমরা এটা (Sit-in) করতে পারলে, ব্যারাক ভেঙে দেশপ্রেমিক সকল সেনা-পুলিশ সদস্যরা তোমাদের পাশে এসে দাড়াবে!! – এতে কোনো সন্দেহ নেই!! বিদেশে বসে এই গুঞ্জনটা আমরা জোড়ালো ভাবেই শুনতে পাচ্ছি! আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা তোমাদের সহায় হোন এবং চুড়ান্ত বিজয় দান করুন – আমিন।

    Reply
  4. 4

    The Patriot

    আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় হুজুরগণ, দেশ মুক্তির জন্য জিহাদের ডাক দিন, নিজেরা রাস্তায় নামুন, ভারতের দালাল এই অবৈধ হাসিনা সরকারের উৎখাত ছাড়া দেশের কোনো ভালো কিছু আশা করা হবে বোকাদের বিলাসীতা। এখন তো শুধু মিছিলে হামলা হয়েছে, অচিরেই হামলা হবে আপনাদের আস্তানায়, বাড়ি বাড়ি ঢুকে!! আপনারা জিহাদের ঘোষণা দিয়ে রাস্তায় নামলে কোটি জনতা রাস্তায় নেমে আসবে মুহুর্তের মধ্যেই। একবার শুধু ডাক দিয়েই দেখুন! দেশের দেশপ্রেমিক সেনা-পুলিশ, আপামর জনসাধারণ সকলকে ডাক দিন, দয়াকরে রাস্তায় নামুন, দেশ বাঁচান, ভবিষ্যত প্রজন্মকে রক্ষা করুন ভারতীয় ষড়যন্ত্রের হাত থেকে! মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা আপনাদের হেফাজত করুন এবং কামিয়াবি দিন -আমিন।

    লেকচারের আর সময় নেই, হুজুর। বিচার চাইবেন? কার কাছে? বিচার ব্যবস্থা কি অবশিষ্ট আছে? কোরান হাদিসের বই রাখার কারণে আপনাদেরই ছাত্র-ছাত্রীদের জংগী বানিয়ে এরেষ্ট করছে, ক্রসফায়ারে দিচ্ছে আর আপনারা চিৎকারই শুধু করে যাচ্ছেন – দেশের তরুণ-যুবা সমাজকে প্ল্যান করে ধ্বংস করা হচ্ছে এটা কি বুঝতে পারছেন না? সবাই, দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নামুন, জিহাদের ডাক দিন, দেশ-বিধ্বংসী এই হায়েনার দলকে উৎখাত করে একটি জাতীয় সরকার গঠনের ব্যবস্থা করুন। নইলে নিজেদের মা-বোন, স্ত্রী-কন্যাদেরকে ও তৈরী রাখুন নিজ বাড়ির মধ্যেই ধর্ষিতা হওয়ার জন্য!! বেশী দেরি নেই। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা আপনাদের বুঝার তৌফিক দিন – আমিন।

    অত্যাচারী শক্তির উৎস হচ্ছে ওদের নিজস্ব সৃষ্ট কিছু অতিরিক্ত সুবিধাভুগী লাঠিয়াল বাহিনী!! এই পুলিশ যারা অতি উৎসাহিত হয়ে ছাত্রজনতার বিরুদ্ধে দাড়াচ্ছে ওরাই হাসিনার মত নরপশুদের রক্ষক!! এই পুলিশের মধ্যে যারা ভালো সেজে চুপকরে বসে থেকে অন্যায়কারী পুলিশের বিরুদ্ধে কিছু বলছে না বা করছেনা তারাও সমান দোষী! অতএব, এই হারামজাদা পুলিশকে থামানো গেলেই মূল লক্ষ্য হাসিল হয়ে যাবে!! পুলিশ প্রতিহত করাই এখন একমাত্র কাজ হওয়া উচিত সকলের, কারণ এরা জনগণের কোনো কল্যাণে আসেনা বরং অত্যাচারী শাসকের রক্ষাকবচ হিসাবে কাজ করে!

    দলমত নির্বিশেষে সকলকে একজোট হয়ে রাস্তায় নেমে জোরালো কন্ঠে পুলিশ নামের অবৈধ হাসিনার গুন্ডা বাহিনীকে জানাতে হবে যে – দেশদ্রোহী ওরাই যারা সম্পুর্ণ অবৈধ একটি সরকারকে রক্ষার জন্যে ন্যায়ের পক্ষে সংগ্রামরত সাধারণ ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে দাড়াচ্ছে! দেশদ্রোহীতার জন্যে অচিরেই বিচারের কাঠগড়ায় দাড়াতে হবে ওদের। শক্ত হাতে প্রতিহত করতে হবে এই পুলিশ নামের দুর্বৃত্তদের। এরা দেশদ্রোহী অমানুষ।

    দাবী এখন একটিই – সম্পুর্ন অবৈধভাবে জেঁকেবসা ভারতীয় দালাল এবং গুন্ডা বাহিনী গঠিত এই অপশাসক, দেশদ্রোহী চক্রের সর্বনাশা চক্রান্তের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করা। কোন রাখঢাক নয়, টু-দ্যা-পয়েন্ট, একমাত্র দাবী – অবৈধ সরকার নামক হারামজাদাদেরকে নির্মুল করা। only slogan – OUST THE TRAITOR BASTARDS!!

    Reply
  5. 5

    Masrura AbdurRahman

    الحَمدُ لِلَّه . ‘য়ালেম সমাজের কাছে আমার একান্ত অনুরোধ: আপনারা স্কুলের curriculum এর ব্যাপক পরিবর্তন সাধন করেন যেন সেখানে ইসলামিক শিক্ষা, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটে। এইসব অপশক্তির দ্বারা আমাদের ফুলের মত নিষ্পাপ বাচ্চাদের ইহকাল ও পরকাল ধ্বংস হতে আমরা দিব না। আল্লাহ্‌ তা’য়ালা যেন আমাদের সঠিক পথে রাখেন যাতে আমরা এই আন্দোলন ফলপ্রসূতে রূপ পায় — আল্লাহুম্মা আ[মীন।

    Reply
  6. 6

    Mortuza Huq

    খন্ডিত আন্দোলনে কাজ হবে না। সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান মেরামত করে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার এক দফা দাবী নিয়ে, শোনা কথায় কান না দিয়ে দেশপ্রেমিক শক্তির উচিৎ হবে সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, ছাত্র, পেশাজীবি এবং সকল স্তরের নাগরিকের সাথে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলে নিরবচ্ছিন্ন ভারত-বিরোধী আন্দোলন থেকে গনঅভ্যুত্থান ঘটানো। সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান মেরামত করার মানে হচ্ছে, বিপ্লবী সরকার প্রথম দুই বছর সংবিধান সংশোধন করে বা নুতন সংবিধান প্রনয়ন করে কেয়ারটেকার ব্যবস্থা, বিচারক, ইলেকশন কমিশনারসহ সকল সাংবিধানিক পদে নিয়োগের আইন তৈরি করে তারপর গনতান্ত্রিক নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। শুধু এভাবেই ৮০% এর বেশী ছাত্র, জনগন, এবং সকল বাহিনীর দেশপ্রেমিক সদস্য এক সাথে রাস্তায় নামবে। আর দেশে আবার গনতন্ত্র ফিরে আসবে। গনতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা হলেই তবে ঘরে ফেরার সপথ নিতে হবে।

    Reply
  7. 7

    Sword of Sovereignty

    জামাতে ইসলাম এখনো সাংগঠনিকভাবে কোন আন্দোলনের ডাক দিচ্ছে না, কিংবা কর্মীদেরকে প্রস্তুতির নির্দেশ দিচ্ছে না। তার কী কারণ? প্রস্তুতির জন্য আর কতটা সময় চাই?
    তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা রাজপথে নামার জন্য মুখিয়ে আছে। হতে পারে ইসলামি অন্যান্য দলগুলো জামাতকে সাথে টানছে না। কিন্তু জামাত না আসায় সমালোচনা করছে।
    আমি বিশ্বাস করি রাজনৈতিক দূরদর্শিতায় তারা জামাতের চাইতে যোজন যোজন মাইল পিছিয়ে আছেন। দেশের প্রসব ব্যথা শুরুর এই মূহুর্তে সব দলাদলি, আক্বিদা বিশ্বাস’র
    অন্তমিল ভুলে গিয়ে নেতৃবৃন্দের যৌথ দিক নির্দেশনাই পারবে, দেশমাতাকে এই বিপর্যয়ের মধ্য থেকে উদ্ধার করতে।

    না হলে, জামাতকে এ মূহুর্তে তাদের নিজস্ব আন্দোলন এর রূপরেখা অনুযায়ী একাই নামতে হবে মুক্তির আন্দোলনে।

    Reply
  8. 8

    The Patriot

    The rapist must be decapitated in public – no other punishment, and it should be done immediately after the accused is caught and identified by the victim and the same punishment should apply to a false accuser also who conspires to malign or destroy a person socially. NO JUSTICE NO PEACE – it is as simple as that.

    Reply
  9. 9

    Nasim Muhammad

    আলেম সমাজের কাছে অনুরোধ আপনারা একজোট হোন।
    ইসলামের নামে এত দল কেন? যেখানে আল্লাহ্ এবং আল্লাহর রসূল নানানভাবে অনৈক্যর ব্যাপারে সাবধান করেছেন সেখানে আমরা কেন শয়তানের প্ররোচনায় নানান ভাবে এত দলে বিভক্ত।এটা শুধু স্বৈরাচারী, জালিম, ইসলাম বিদ্বেষী দলগুলকেই শক্তিশালী করে।

    মুসলমানতো তার যা করণীয় তা সাধ্যমত করে এবং একমাত্র আল্লাহর উপর নির্ভর করে। একবার একজোট হয়ে দেখেন কিভাবে আল্লাহ্ শক্তিশালী করে দেন।

    Reply
  10. 10

    The Patriot

    সকল সম্মানিত আলেমওলামাগণের কাছে বিনয়ের সাথে কিছু জিজ্ঞাসা -ঃ আপনাদের প্রতিবাদ, বিক্ষোভ, বিচার চাওয়া, বিভিন্ন দাবীদাওয়া – কার কাছে?? আপনারা এসব করে কি এই অবৈধ সরকারকে বৈধতা দিচ্ছেন না? গত বারোটা বছর ধরে এ অবৈধ সরকারের অবৈধতার বিরুদ্ধে একটি প্রশ্ন আপনারা তোলেননি। সকলের চোখের সামনেই এরা জনগণের বুকে পা-চাপা দিয়ে সমস্ত অবৈধ কর্মকাণ্ড, অবিচার, অনাচার, অত্যাচার, লুটপাট, ধর্ষণ, গুম, খুনের মতো গর্হিত সব কাজগুলো প্রাতিষ্ঠানিক আদলেই করে চলেছে! ইসলাম বিরোধী সকল কর্মকাণ্ড একরকম ঘোষণা দিয়েই করে এসেছে। রাজাকার, জামাত-শিবির, জংগী, এসব ট্যাগ লাগিয়ে ধর্মপ্রাণ, নিরিহ জনসাধারণ এমনকি পর্দানশীন মা-বোনকেও নির্বিচারে ধরে নিয়েগিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করছে! ছোট একটা প্রতিবাদ আপনারা কি মনেকরে করতে এসেছিলেন, লক্ষ জনতা আপনাদের ডাকে সাড়া দিয়ে ছুটে এসেছিলো – কিন্তু কি নিদারুণ হিংস্রতার সাথে, রাতের অন্ধকারে, হাজারো আলেম-ওলামাকে, কেউ ঘুমন্ত, কেউ নামাজরত থাকা অবস্থায় হত্যা করা হয়েছে!! দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে একরকম ধ্বংসই করে ফেলা হয়েছে। শিশুদের বইপত্রে হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে রাম-সীতার ইতিহাস পড়ানো হচ্ছে নবী-সাহাবাদের জীবনি ও আদর্শের পরিবর্তে! এতোসব-কিছু দেখেই চলেছেন আপনারা বছরের পর বছর – কোনো প্রতিবাদ গড়ে তোলেননি, চেষ্টাও করেননি – বড় অবাক লাগে, হুজুর। অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব – অথচ আপনাদেরকে দেখলাম না সেভাবে কোনো প্রতিবাদ করতে। দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এক এক করে ধ্বংস করে ফেললো সকলের চোখের সামনেই – কেউ কিছুই করলেন না, বললেন না! এখন এই বাচ্চাগুলো, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ ছেলেগুলো জীবন হাতে নিয়ে রাস্তায় নেমেছে, অবৈধ এই সরকারের পরিবর্তন চাইছে, একটি জাতীয় সরকার গঠন করতে চাইছে – আপনারা সেখানেও সহায়তা না করে অদ্ভুত সব দাবী আদায়ের বায়না ধরছেন। কার কাছে এ বায়না? আপনারা কি মনে করেন এসব দাবী, আবদার, বায়না মেনে নেওয়ার কিম্বা বাস্তবায়ন করার কোনো ইচ্ছা, মনমানসিকতা বা নৈতিক বৈধতা এই দখলদার, ভারতীয় দালাল বাহিনীর আছে?? তাহলে কেন এই প্রহসন?? কেন এই কালক্ষেপণ? কি চান আসলে আপনারা? কিছু না পারলে অন্তত এই তরুণ ছেলেগুলোকে সহায়তা করুন – এক দাবী নিয়ে সম্মিলিতভাবে রাস্তায় নামুন। দেশদ্রোহী এই দালাল বাহিনীকে নির্মুল করে, সকলের অংশগ্রহনে একটি জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করার ব্যবস্থা করুন। এ ঐক্যের একটামাত্র উদ্দেশ্যে, তা হলো ইসলাম বিধ্বংসী, দেশ বিধ্বংসী এই জালিমদেরকে অপসারণ করে, সর্বদলীয় একটি জাতীয় সরকার গঠন করা – দেশের স্বাধীনতা সার্বোভৌমত্ব রক্ষা করা! দেশ বাঁচলে তো বাকী সব, নাক? – খুব কি বেশি বলে ফেললাম হুজুর? দয়াকরে মাফ করে দেবেন।

    Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

© স্বত্ব আমার দেশ ২০০৮ – ২০২০