সংবাদ শিরোনামগুলো
>>ডাকাত বা লুটেরারা বদমাইশ কিন্তু তাদের সর্দারনী নিষ্পাপ!>>শেখ হাসিনাও সৌজন্য শেখাচ্ছেন!>>শেখ হাসিনাকে ক্ষমা চাইতে বললেন মির্জা ফখরুল>>৪ মানবাধিকার সংগঠনের যৌথ বিবৃতি: গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিন>>বিতর্কিত গণকমিশন ও ঘাদানিকের সাথে জড়িতদের আয়ের উৎস খুঁজতে দুদকে স্মারকলিপি>>লুটেরাদের ডলার লুটে টাকার মান কমল আরেক দফা>>আলেমদের বিরুদ্ধে তথাকথিত কমিশনের শ্বেতপত্র রাষ্ট্রদ্রোহিতা- সর্বদলীয় ওলামা ইউকে>>আওয়ামী লুটেরাদের ডলার লুট>>শেখ হাসিনার অধিনে কেউ ভোটে যাওয়ার চিন্তা করলে ভুল করবে-শামসুজ্জামান দুদু>>অবশেষে গডফাদার খ্যাত হাজী সেলিম কারাগারে: কতটা দ্রুততায় জামিন মঞ্জুর হয় সেটাই দেখার বিষয়

হাসিনা-দিল্লির প্ল্যান-বি

, ,

মাহমুদুর রহমান

কিছুদিন আগে ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিতব্য আরো একটি নির্বাচনী তামাশার কৌশল নির্ধারনে শেখ হাসিনার ‘প্ল্যান-এ’ সম্পর্কে সম্পাদকীয় লিখেছিলাম। সেই লেখার মন্তব্য কলামে কোন কোন পাঠক ‘প্ল্যান-বি’ নিয়ে সম্পাদকীয় লেখার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে বিভিন্ন সূত্র থেকে সেই বিষয়ে যা কিছু তথ্য জেনেছি তার উপর ভিত্তি করেই আজকের সম্পাদকীয়।

প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে ‘প্ল্যান-বি’ প্রণয়নে শেখ হাসিনার সাথে ভারতের ‘ডীপ স্টেট’ যোগ দিয়েছে। এই প্ল্যানের উদ্দেশ্য হলো প্রধান বিরোধী দল বিএনপিকে যথাসম্ভব প্রসন্ন রেখে হাসিনার মেয়াদ আরো পাঁচ বছর বাড়িয়ে নেয়া। আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটেই এবার বিএনপিকে বিশেষভাবে প্রসন্ন রাখার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। ২০০৭ এবং ২০০৮ সালে মূলত: ইসলামোফোবিয়াকে পুঁজি করেই শেখ হাসিনার পক্ষে ইন্দো-মার্কিন সহযোগিতা পাওয়া সহজ হয়েছিলো। ওয়াশিংটন তখন প্রেসিডেন্ট বুশের তথাকথিত ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধ’ অর্থাৎ বিশ্বব্যাপী মুসলমানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নীতি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছিল। পরবর্তী এক দশক বর্তমান বিশ্বের একমাত্র মহিলা স্বৈরশাসক ‘ইসলামী জঙ্গী কার্ড’ ব্যবহার করে তার অবৈধ ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করেছেন। যখনই রাজনৈতিক পরিস্হিতি তার বিরুদ্ধে গেছে তখনই র‍্যাব এবং পুলিশ জঙ্গী পাকড়াও এর নাটক করেছে। জঙ্গীর নাম দিয়ে দেশের নিরপরাধ হতদরিদ্র, পরিচয়হীন নারী-পুরুষ-শিশুদের ধরে এনে নিষ্ঠুরভাবে বিনাবিচারে হত্যা করেছে এবং পশ্চিমাদের বাহবা কুড়িয়েছে। হাসিনার খুনি বাহিনী এই সব অসহায় মানুষদের নির্জন স্হানে কোন এক ঘরের মধ্যে আটকে রেখে তাদের বোমার আঘাতে উড়িয়ে দিয়েছে। তারপর নিহতদের ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়া অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গণকবর দিয়েছে। এরা প্রকৃতই জঙ্গী ছিল কিনা সেটা দেখার প্রয়োজন বোধ করেনি কোন মানবাধিকার সংগঠন। র‍্যাব-পুলিশ নিজেরাই কিছু পুরনো অস্ত্র বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে রেখে, তারপর মিডিয়া সঙ্গে নিয়ে ঘটা করে অস্ত্র উদ্ধারের নাটক মঞ্চস্হ করেছে। আমরা ভিন্ন মতের মিডিয়াতে এই সব নির্মম ফাঁকিবাজি প্রকাশের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য তুলে ধরার চেষ্টা করলে, আমাদেরকে জঙ্গীবাদের সমর্থক অপবাদ দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশে অবস্হিত পশ্চিমা দূতাবাসসমূহ ফ্যাসিস্ট সরকার ও তার সমর্থক ইসলামফোবিক মিডিয়ার প্রচারণায় বিশ্বাস করে ভিন্নমতের মিডিয়ার উপর সরকারী নিপীড়নে সমর্থন জুগিয়েছে। আমার দেশ, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টেলিভিশন, ইত্যাদি বন্ধ করে দেয়া হলে পশ্চিমা কূটনীতিকরা তাদের ভূরাজনৈতিক কৌশলের অংশ রূপে দৃষ্টি অন্য দিকে ঘুরিয়ে রেখেছে। এরই পরিণতিতে ২০২২ সালে এসে প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্সে বিশ্বের ১৮০ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্হান ১৬২ তম জায়গায় নেমেছে যা কিনা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন।

গত দুই দশকে বিশ্ব ভূরাজনীতির বেশ পরিবর্তন ঘটেছে। চীন এবং রাশিয়ার উত্থানের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বাধ্য হয়ে এখন কট্টর ইসলামবিরোধিতার নীতি থেকে সাময়িকভাবে হলেও সরতে হয়েছে। ইউরোপের কাছে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন কথিত ইসলামী জঙ্গীবাদের চেয়ে অনেক বড় বিপদ রূপে সামনে এসেছে। ইসলামফোবিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘ গত ১৫ই মার্চ যে একটি আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করেছে [International Day to Combat Islamophobia] সেটি পশ্চিমা দুনিয়ার নীতি পরিবর্তনের প্রতিফলন। যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি ছাড়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ মুসলমানের পক্ষে এমন পদক্ষেপ যে নিতে পারত না তা আশা করি বুদ্ধিমান পাঠকমাত্রই বোঝেন। উল্লেখ্য, ভারত সাধারণ পরিষদে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। ঈদ উপলক্ষে হোয়াইট হাউজের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট বাইডেন যে বক্তব্য দিয়েছেন সেখানেও বিশ্বের নানা দেশে মুসলমানদের উপর জুলুমের কথা তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। অতএব, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের মত ইসলামী জঙ্গী কার্ড ব্যবহার করে হাসিনার পক্ষে ২০২৩ সালে তৃতীয় বারের মত নির্বাচনী তামাশার আয়োজন সম্ভব নয়। যে কোন প্রক্রিয়ায় বিএনপিকে নির্বাচনে হাসিনার আনতেই হবে। স্বয়ং শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাম্প্রতিক বিভিন্ন বক্তব্যে এই প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকারও করেছেন। এখন কত কম ছাড় দিয়ে বিএনপিকে নির্বাচনে এনে স্বৈরশাসনকে আরো পাঁচ বছরের জন্য বৈধতা দিয়ে দীর্ঘায়িত করা যায় সেটাই হচ্ছে দিল্লি এবং হাসিনার প্ল্যান-বি।

বিএনপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার কাছ থেকে জেনেছি যে, ২০১৮ সালেও একটা অলিখিত চুক্তির ভিত্তিতেই বিএনপি ড: কামাল হোসেনের নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। সরকারের কাছ থেকে দলটি সন্মানজনক আসনপ্রাপ্তির আগাম নিশ্চয়তাও পেয়েছিল। দুটি কারণে এই সমঝোতা ভেস্তে যাওয়ায় বিএনপির ভাগ্যে চরম অবমাননাকর ছয়-সাত আসনের বেশি জোটে নাই। বিএনপির এক অন্যতম শীর্ষস্হানীয় নীতিনির্ধারক যাকে সরকারের পক্ষ থেকে বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছিল, তিনি পরাজয়ের পর তার বিশ্বস্ত জনদের কাছে প্রধানত: জামাতকে দোষারোপ করেছেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, বিএনপি নির্বাচনে জামাতকে সঙ্গী করার ফলেই ভারত রুষ্ট হয়ে শেষ মূহুর্তে সমঝোতা থেকে সরে যায়। জামাতকে ধানের শীষের মার্কা দিয়ে নির্বাচনী জোটে না নিলে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আসন পাওয়া যেত বলেই এই নেতা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন। বিএনপির অনেক পরাজিত নেতাই এই মতের সমর্থক। অপরদিকে সরকার পক্ষের লোকজন প্রকাশ্যেই বলে থাকে যে, আওয়ামী লীগের এবং প্রশাসনের কিছু ব্যক্তির অতি উৎসাহের কারণেই শেখ হাসিনার ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও ২০১৮ সালের নির্বাচনে পরিকল্পনা অনুযায়ী বিএনপিকে আসন দেয়া সম্ভব হয় নাই। এটা খুবই স্বাভাবিক যে, ব্যালট বাক্সে সিল মারার প্রতিযোগিতায় আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থীই পিছিয়ে থেকে পরাজিত হতে চায় নাই। তারা নির্বাচনের আগের রাতেই প্রশাসনের সহযোগিতায় যার যার মত ব্যালট বাক্স ভরে রেখেছিল। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের তরফ থেকে বিএনপিকে এখনই প্রতিশ্রুতি দেয়া শুরু হয়েছে যে এবার আর ওই রকম ভুল হবে না। সঙ্গত কারণেই বিএনপির পক্ষে আওয়ামী লীগের ফাঁকা প্রতিশ্রুতিতে আস্হা স্হাপন করা কঠিন। নেড়া আর কয়বার বেলতলায় যেতে চায়? দুই দলের মধ্যে এই আস্হার দূরত্ব মেটানোর জন্য ভারতের ‘ডীপ স্টেট’ অবশেষে মাঠে নেমেছে। দিল্লির উচ্চ মহলের নির্দেশে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনারসহ গোয়েন্দা সংস্হার অন্যান্য কভার পোস্টিং এর কর্মকর্তারা বিএনপির নেতাদের সাথে দেখাসাক্ষাৎ দৃশ্যমানভাবেই বাড়িয়েছে। আগামি নির্বাচন নিয়ে ঢাকা এবং লন্ডনের নেতাদের মধ্যে কোন সমঝোতা হলে তার জামিনদারের [Guarantor] ভূমিকায় দিল্লি থাকবে বলেই বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে।

দিল্লি এবং হাসিনার যৌথ প্ল্যান-বি’তে রয়েছে, বিএনপিকে ২০১৮ সালের প্রতিশ্রুতির চেয়ে [প্রচারণা ছিল ৬০টি] আরো কিছু বেশি আসন প্রদানের প্রস্তাবের [হয়ত ৮০টি] সাথে বেগম খালেদা জিয়াকে বাসায় রেখে চিকিৎসার নিশ্চয়তা। বিএনপির অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের মামলার বিষয়েও সরকার নমনীয় অবস্হান গ্রহণের টোপও ইতোমধ্যে দিয়ে রেখেছে। ভারতের মধ্যস্হতায় সমঝোতা হয়ে গেলে দিল্লির চাহিদা হলো বিএনপিতে একটি কো-চেয়ারম্যানের পদ সৃষ্টি করে সেখানে তাদের সর্বাধিক বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে বসানো। সেই লোকই আগামী সংসদে বিরোধী দলের নেতার দায়িত্বে থাকবে। ভারতের বিশ্বস্ত ব্যক্তি হওয়ার প্রতিযোগিতায় বেশ কয়েকজন রয়েছেন। জানা গেছে বর্তমান মহাসচিব এখনও দিল্লির বিশ্বাসভাজনদের তালিকায় নেই। বিএনপি নেতৃত্বকে বোঝানো হবে, বর্তমান পরিস্হিতিতে এর চেয়ে উইন-উইন ফর্মুলা আর হতে পারে না। এর সঙ্গে ভারতের পক্ষ থেকে একটি অতিরিক্ত টোপও থাকবে যে, এবার বিরোধী দলে গেলেও ২০২৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির ক্ষমতা গ্রহণে তারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে। ততদিনে শেখ হাসিনার বয়সও আশি পেরিয়ে যাবে। ভারতের সমর্থন ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব না এমন চিন্তাধারার ব্যক্তিরাই সম্ভবত: বিএনপির নীতিনির্ধারকদের মধ্যে এখন সংখ্যাগরিষ্ঠ। এই জাতিয় একটি নির্বাচন হয়ে গেলে পশ্চিমারাও সন্তুষ্ট হবে, শেখ হাসিনার ললাটেও আর ফ্যাসিস্ট শাসকের কালিমা থাকবে না। আর ভারতের জন্য তো একেবারে সোনায় সোহাগা। আওয়ামী লীগের সাথে ভারতের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক তো সেই পাকিস্তান আমল থেকেই আছে, এবার তারা বিএনপির সাথেও প্রগাঢ় বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হবে। ভারতবিরোধীতার কোন বীজই আর বাংলাদেশে রাখা হবে না। অতএব, বাঙ্গালী মুসলমানের সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ও কালক্রমে হিন্দু ধর্ম ও সংস্কৃতি থেকে উদ্ভূত বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের মধ্যে বিলীন হয়ে যাওয়ার পথে আর কোন রাজনৈতিক বাধাও থাকবে না। বাংলাদেশের তথাকথিত সেক্যুলার গোষ্ঠী এখন থেকেই জয় বাংলা এবং জয় হিন্দ এর মিলনের সুখস্বপ্ন দেখতে পারে।

লেখক: সম্পাদক, আমার দেশ

9 Comments

  • কাজী সারোয়ার মাহমুদ বলেছেন:

    অতীব গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদকীয় লেখার জন্য মাননীয় সম্পাদক মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কিন্তু এই দেশের জনগণ তো আর এই প্ল্যান- বি মেনে নিবে না। বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারকে কিভাবে উৎখাত করা যায় আপনার কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট ককর্মসূচি কামনা করছি। কারন বিএনপির ধান্ধাবাজ নেতাদের উপর জনগণের আর কোনো আস্থা অবশিষ্ট নেই।

  • আমানুল হক বলেছেন:

    আল্লাহ তাআলা আপনাকে আরও খুরধায় সম্পন্ন লেখা উপহার দেওয়ার যোগ্যতা বৃদ্ধি করে দিন

  • Anis Chowdhury বলেছেন:

    I know people make plans and Allah SWT also makes plan and His plan prevails. BNP leadership must not make any agreement with “Indian Hukumat”. All that they need to do is sticking to their one point demand- caretaker government followed by small and big rallies to realize their demands. I think they also need to talk to all stakeholders home and abroad and clear their standings on local and global issues. India will try to become a big stakeholder in Bangladesh political spectrum but the wisdom and quality of BNP leadership must be enhanced to keep them on the sideline. If Bangladesh politics needs to be taken beyond borders then take to US China level excluding India in order to choose the better evils.

  • Hussain Farabi বলেছেন:

    অতি গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন স্যার!জাযাকাল্লাহ 💌

  • A A Azad বলেছেন:

    We should always kick out inda

  • M H U বলেছেন:

    You said very good……., but we need to get ride from this facibad and indian love/fobia, there is any solutions or no leader is present to lead as a Bangladeshi or for Bangladesh

  • Md abdur Rouf বলেছেন:

    Thank you for important editorial for the nation

  • MANJORUL বলেছেন:

    Thank you sir

  • কামরুল বলেছেন:

    ১১৬ ওয়ায়েজ আলেম ও ১০০০ মাদ্রাসার দুদকে নালিশ দিয়ে পুরনো ট্রামকার্ড সচল করে প্লান-এ বাস্তবায়নের কৌশলও হয়তো প্রস্তুত রাখা হচ্ছে!!

Leave a Reply