সংবাদ শিরোনাম

আরও সংবাদ

3 Comments

  1. 1

    মুজিবনগর

    হাটহাজারীর এই প্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু হওয়া আগুন ছঁড়িয়ে পড়া উচিত বাংলাদেশের আনাচে কানাচে।ভুলে যাওয়া উচিত নয় এই সংগামের শুরুর কথা, কিভাবে সরকার দমন করার নামে কি পৈশাচিক ভাবে শত শত তাঁজা রক্ত প্রান দিয়েছিল, গুলি করে জখম করা পর রাইফেলের বাট দিয়ে মাথার খুলি গুলো কে পটাস পটাস করে সেদিন ফাটিয়ে ছিল কারা সরকারের হুকুমে? শাপলা চত্তরে সেদিন দমন নীতির ঘোষনা করেছিলেন ততকালিন স্হানীয় সরকার মন্ত্রী এক মদ্যপ আশরাফুল ইসলাম, এবং লেলিয়ে জিতেছিলেন বিডিআর, RAB ও পুলিসকে। সেদিন বিডিআরের নেতৃত্ব দিয়েছিলো আজকের সেনাবাহিনী প্রধান আজিজ, যিনি এসেছেন একটা গুণ্ডা পরিবার থেকে। আর Rab এর দায়িত্বে ছিলেন আজকের এই ভারতীয় এজেন্ট পুলিস প্রধান বেনজীর আহাম্মেদ, আর ডিএমপির প্রধান সেই কুলাংগার, যে অবসরে গিয়েছে। রাতের আঁধারে রাস্তার আলো নিভিয়ে পিটিয়ে মেরেছে শত শত বাচ্চা ছেলেদের আর যুবকদের। তাঁড়িয়ে দিয়েছিল সেদিন আপনাদের ঢাকা শহর থেকে। সেই আপমানের প্রতিশোধ না নিয়ে এখনো চুপ করে বসে আছেন কি করে। শেখ হাসিনা সেদিন ছিলেন জল্লাদের ভূমিকায়, দিল্লীর নির্দেশে কাজ করেছেন তিনি, আর এমন ভাবে দমন করার কুবুদ্ধি দিয়েছিল এক ভারতের বেঁটে বাঁমন প্রনব মূখার্জী।

    বাংলার সব মাদ্রাসা এক হয়ে গিয়ে এগিয়ে যান ঢাকার পথে, পিটিয়ে মারেন হাসিনার দল ও তাদের চেলাপান্ডাদের, যারা ভারতের সেবাদাসে পরিনত হয়েছে। এদেশ মুসলমানদের এবং ভারতকে পুরো সম্মান দিয়ে কথা বলতে হবে আমাদেরকে। ভারতের কোন আগ্রাসন চলবে না এবং তাদের দালালদের জানে মেরে ফেলতে হবে একটা একটা করে, যে মুসলমানই হােক, হিন্দু হোক বা যেই হোক সে।

    দেশ বাঁচানো আমাদের দায়িত্ব আর মুসলমান কে কেউ দমন করতে পারবে না। সবাই দলবদ্ধ হয়ে প্রস্তুতি নিন।

    Reply
    1. 1.1

      হেদায়েত উল্লাহ

      তাই হোক।

      Reply
    2. 1.2

      Azad

      Exactly

      Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

© স্বত্ব আমার দেশ ২০০৮ – ২০২০